বিশ্বকাপে অভিষেকেই ইতিহাস মিশরের, টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় সালাহরা
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অভিষেকেই ইতিহাস গড়ল মিশর। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ সমতা থাকার পর টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় চলে গেল তারা। এবারই প্রথম নক আউটে উঠেছে মিশর। অন্যদিকে নক আউঠ পর্বে অস্ট্রেলিয়া এই নিয়ে টানা তৃতীয়বার হারল।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অভিষেকেই ইতিহাস গড়ল মিশর। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ সমতা থাকার পর টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় চলে গেল তারা। এবারই প্রথম নক আউটে উঠেছে মিশর। অন্যদিকে নক আউঠ পর্বে অস্ট্রেলিয়া এই নিয়ে টানা তৃতীয়বার হারল।
টাইব্রেকারে মিশরের হয়ে গোল করেন মাহমুদ সাবের, রামি রাবিয়া, মোহাম্মদ সালাহ এবং শেষ শটটি থেকে জয়সূচক গোল করেন ওসাম আবদেলমাগুইদ। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচের পরিবর্তে মাঠে নামা ম্যাথিউ রায়ান মিশরের চারটি শটের একটিও আটকাতে পারেননি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টাইব্রেকারে জ্যাকসন আরভিন ও আওয়ার মাবিল গোল করলেও প্রথম শটে হ্যারি সাউতার বল বাইরে মারেন। এরপর ১৮ বছর বয়সী লুকাস হেরিংটনের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে জয়ের পথ আরও সহজ হয়ে যায় মিশরের জন্য।
ম্যাচের শুরুতেই এমাম আশুর গোল করে মিশরকে এগিয়ে দেন। তবে ৫৫ মিনিটে মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। এই আত্মঘাতী গোলের মধ্যে দিয়ে হানি বিশ্বকাপের একটি আসরে দুটি আত্মঘাতী গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েন।
হ্যামস্ট্রিং চোট থাকা সত্ত্বেও এই ম্যাচে শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন মিশরের তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ এবং টাইব্রেকারেও গুরুত্বপূর্ণ গোল করে দলের জয়ে অবদান রাখেন। শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা বা কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে খেলতে হবে মিশরকে।








