হাবাস দলের খেলায় খুশি, ফলে নয়, পানোস ফলে খুশি, দলের খেলায় নয়
ডুরান্ড ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে হারাল মোহনবাগান। আর ম্যাচের পর দুই কোচের দুই রকম মত। ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস বলছেন, দলের খেলায় খিশি, কিন্তু ফলে অখুশি। অন্যদিকে মোহনবাগানের গ্রিক কোচ পানোস বলছেন, ফলাফলে খুশি কিন্তু দলের খেলায় অখুশি।
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
ডুরান্ড ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে হারাল মোহনবাগান। আর ম্যাচের পর দুই কোচের দুই রকম মত। ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস বলছেন, দলের খেলায় খিশি, কিন্তু ফলে অখুশি। অন্যদিকে মোহনবাগানের গ্রিক কোচ পানোস বলছেন, ফলাফলে খুশি কিন্তু দলের খেলায় অখুশি।
আসলে গোল খাওয়ার পর প্রচণ্ড চাপ তৈরি করেছিল ইস্টবেঙ্গল। কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিল। তাই তো হাবাস বললেন, “আমরা ৭-৮ টা সুযোগ পেয়েছি। আর ওরা একটা সুযোগে গোল করে গেছে। আমাদের কেউই গোলটা করতে পারল না।“
পানোস আবার বলছেন, “৬০ মিনিট পর্যন্ত আমাদেরই দাপট ছিল।“ তারপর সম্ভবত ক্লান্তির জন্য খেলা থেকে তাঁরা সরে গিযেছেন। শেষ দিকে মোহনবাগান অতি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়া নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে। মোহনবাগান কোচ অবশ্য জানান, ক্লান্তির জন্যই তাঁর দল অত রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছিল। প্রস্তুতি ঠিকমত হয়নি বলেই এই সমস্যা হয়েছে বলে জানান তিনি। পানোস মেনে নেন অনেক উন্নতি করতে হবে তাঁর দলকে।
আবার অন্যদিকে পুরনো ছাত্র বিশাল কাইথের ভূয়সী প্রশংসা করলেন হাবাস। জানান, বিশাল সেরা গোলরক্ষক। তাঁর হাতেই আটকে গেল তাঁর দল। তবে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ ঝরে পড়ল তাঁর গলায়। পেনাল্টির দাবি যদিও করছেন না, স্পষ্টই বলছেন ঘটনা থেকে তিনি অনেক দূরে ছিলেন, তবে শুভাশিসকে কেন লাল কার্ড দেখানো হল না, সে প্রশ্নই তুলছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ।
হাবাস অবশ্য সমর্থকদের বার্তা দিলেন, মরসুম সবে শুরু। মাত্র একটা ম্যাচ হল। এখনই ভেঙে পড়ার কিছু নেই। সামনে আরও ম্যাচ আছে। আইএসএল আছে। এএফসি কাপ আছে। দল ঘুরে দাঁড়াবেই।
শুধু মরসুম নয়, ডুরান্ডও সবে শুরু। আর দুটি গ্রুপের সেরা দুই দল যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। তাই ইস্টবেঙ্গল যদি গুছিয়ে নিতে পারে, তাহলে হয়ত হতাশার কিছু থাকবে না। সেক্ষেত্রে ফাইনালে কি আবার ডার্বি? সম্ভাবনা কিন্তু আছে।
