ইংল্যান্ডে হোয়াইটওয়াশ, স্লো ওভার রেটের শাস্তি, ১১ পয়েন্ট কাটা গেল পাকিস্তানের
টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের কঠিন সময় যেন শেষই হচ্ছে না। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওভার শেষ করতে না পারায় এবার শাস্তির মুখে পড়তে হল পাকিস্তানকে। ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের। ওভার রেট সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী এটাই সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ।
XtraTime Webdesk: টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের কঠিন সময় যেন শেষই হচ্ছে না। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওভার শেষ করতে না পারায় এবার শাস্তির মুখে পড়তে হল পাকিস্তানকে। ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের। ওভার রেট সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী এটাই সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ।
শুধু জরিমানাই নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ১১টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টও কেটে নেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের। নির্ধারিত ওভার রেটের থেকে পাকিস্তান ১১ ওভার পিছিয়ে থাকায় এই পয়েন্ট কাটা হয়েছে।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি চক্রে এমনিতেই পাকিস্তানের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো ছিল না। পয়েন্ট কেটে নেওয়ার পর ৯টি ম্যাচে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫ পয়েন্টে। ফলে ৪.৬৩ শতাংশ পয়েন্ট পার্সেন্টেজ নিয়ে তালিকার একেবারে তলানিতে রয়েছে পাকিস্তান।
ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট সিরিজেও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। তিন ম্যাচের সিরিজে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি তারা। ইংল্যান্ড সিরিজ জিতে নেয় ৩-০ ব্যবধানে।
প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে হারের পর দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে পরাজিত হয় পাকিস্তান। এরপর বার্মিংহামে তৃতীয় টেস্টে ৮ উইকেটে জয় তুলে নিয়ে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ সম্পূর্ণ করে ইংল্যান্ড।
ফলে পাকিস্তানের সমস্যা এখন শুধুমাত্র একটি খারাপ সিরিজে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে একের পর এক খারাপ ফলাফল তাদের ধারাবাহিকতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তার উপর ওভার রেটের শাস্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হারানো পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
৯টি টেস্টে মাত্র ৫ পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তানের সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ। নভেম্বর মাসে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে পাকিস্তান।
ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশের পর পাকিস্তানের সামনে এখন ভুল করার জায়গা আরও কম।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে পাকিস্তান, নাকি আরও পিছিয়ে যাবে তাদের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অভিযান? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।








