ম্যাচ গোলশূন্য, ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে ছাড়লেন কার্লোস কুইরোজ
বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। ঘানার সঙ্গে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র। আগের ম্যাচে দাপটের সঙ্গে যেভাবে জমিয়ে ফুটবল খেলেছিল, এদিন তার ধারে কাছেও পৌঁছোতে পারল না। ঘানা কোচ কার্লোস কুইরোজের কৌশলের সামনে পড়ে হাঁসফাঁস করল থ্রি লায়ন্স।

গৌতম রায়
বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। ঘানার সঙ্গে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র। আগের ম্যাচে দাপটের সঙ্গে যেভাবে জমিয়ে ফুটবল খেলেছিল, এদিন তার ধারে কাছেও পৌঁছোতে পারল না। ঘানা কোচ কার্লোস কুইরোজের কৌশলের সামনে পড়ে হাঁসফাঁস করল থ্রি লায়ন্স।
সারাক্ষণ বলের দখল রাখার চেষ্টা করে গেছে। আক্রমণ শানানোর চেষ্টা করে গেছে, কিন্তু বক্সের সামনে এসেই ইংল্যান্ডের যা কিছু জারিজুরি শেষ। তার সবচেয়ে বড় কারণ সেভাবেই যে ফাঁদ পেতেছিলেন কুইরোজ।
দুর্দান্ত রক্ষণ সংগঠন দেখালো ঘানা। দেখালেন কুইরোজ। না, অযথা বল বা প্রতিপক্ষ ফুটবলারকে তাড়া করা নয়। বলের দখল রাখার দিকেও তেমন নজর দেওয়া নয়। কুইরোজের কৌশল ছিল, প্রতিপক্ষকে বলের দখল রাখতে দাও, কিন্তু ফাইনাল থার্ডে এলেই জায়গাগুলো বন্ধ করে দাও। ঘানার রক্ষণ ও মাঝমাঠের ফুটবলাররা নিজেদের রক্ষণে জায়গা ভরাট করার দিকে নজর দিয়েছিলেন। যাতে ইংল্যান্ড অ্যাটাকাররা পেনিট্রেটিভ জোনে কোনও স্পেস না পায়। পাসিং অপসন যাতে বন্ধ করে দেওয়া যায়। আর এই কাজে বেশি করে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের ব্যবহার করলেন কুইরোজ।
আর এই জাঁতাকলে পড়ে হতোদ্যম হয়ে পড়লেন হ্যারি কেন, রাইসরা। ইংল্যান্ডকে রীতিমত কাঁদিয়ে ছাড়লেন কার্লোস কুইরোজ। নব্বই মিনিট সব ধরণের চেষ্টা করেও গোলমুখ খুলতে পারলেন না। যদিও একেবারে শেষ মুহূর্তে নিকো ও রেইলির হেড বারে লেগে ফিরল।
এর সঙ্গে ছিল সুযোগ পেলেই ঘানার দ্রুতগতির প্রতিআক্রমণ। তারা যদি গোল পেয়ে যেত তাহলেই কিছু বলার ছিল না। খেতাব জয়ের দৌড়ে টক্কর দিতে গেলে এর চেয়ে অনেক, অনেক উন্নতি করতে হবে থমাস টুচেলের ফুটবলারদের।








