৮-০ গোলে জয়, ভাঙতে চলেছিল ডুরান্ডে নিজেদের রেকর্ড, ভাল ম্যাচ অনুশীলন সেরে নিল ইস্টবেঙ্গল
হাসতে হাসতে, হাঁটতে হাঁটতে ৮-০ গোলে ম্যাচ জিতল ইস্টবেঙ্গল। সিআইএসএফ প্রোটেকটরসকে নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করে পরের কঠিন লড়াইয়ের আগে ভাল ম্যাচ অনুশীলন সেরে নিল লালহলুদ ব্রিগেড।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
হাসতে হাসতে, হাঁটতে হাঁটতে ৮-০ গোলে ম্যাচ জিতল ইস্টবেঙ্গল। সিআইএসএফ প্রোটেকটরসকে নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করে পরের কঠিন লড়াইয়ের আগে ভাল ম্যাচ অনুশীলন সেরে নিল লালহলুদ ব্রিগেড। ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড ইস্টবেঙ্গলেরই। ১৯৭২ সালে বিবি স্টারকে তারা হারিয়েছিল ১০-০ গোলে। তারপর ২০১৬ সালে রিয়েল কাশ্মীরকে ৯-১ গোলে হারিয়েছিল ডেম্পো। এদিন ব্যবধানের সেই রেকর্ডকে ছুঁয়ে ফেলল হাবাসের টিম।
৮টি গোল হল। এরসঙ্গে যুক্ত করুন এডমুন্ড, নুঙ্গা ও ডেভিডের শট পোস্টে লাগল। এডমুন্ডের একটি শট বারেও আছড়ে পড়ল। একটি পেনাল্টিও পেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। এই সব তথ্যই বলে দিচ্ছে খেলা কেমন হল।
এদিন প্রথম দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে অন্য অনেককেই সুযোগ দিয়েছিলেন। ৪টি গোল হয়ে যাওয়ার পর তুলে নেন রশিদ ও ড্যানি র্যামিরেজ – দুই বিদেশকেই। তবু গোলের বন্যা চলল একইভাবে। হ্যাটট্রিক করলেন পিভি বিষ্ণু। দুটি গেল জেসিন টিকের। একটি করে গোল করলেন জিকসন ও বিপিন। একটি গোল প্রবল চাপের মুখে আত্মঘাতী।
এছাড়া বলার মত যেটা, যতক্ষণ মাঠে ছিলেন, ততক্ষণ রিং মাস্টারের কাজটা করে গেলেন ড্যানি র্যামিরেজ। প্রথম তিনটি গোলের ক্ষেত্রে আক্রমণ তাঁর পা থেকেই। গিলের জায়গায় গোলরক্ষক পূর্বা লাচেংপাকে সুযোগ দিয়েছিলেন হাবাস। লালহলুদে তাঁর অভিষেক হল। কিন্তু তিনি তো সারাক্ষণ খেলাই দেখে গেলেন। কোনও পরীক্ষাই তাঁকে দিতে হল না।
ডার্বি হারের পর গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় সেরা দুই দলের মধ্যে থাকতে বাকি ম্যাচগুলিতে জয় জরুরি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। গোল পার্থক্যটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ৮ গোলের এই জয় অনেকটাই স্বস্তি দিল লালহলুদকে।
