ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ভারত, রোমাঞ্চের পাশাপাশি প্রশ্নও আছে প্রাক্তন ফুটবলারদের
গোটা ব্যাপারটাই স্বপ্নের মত। নীল জার্সিতে যাঁরা খেলবেন, তাঁদের কাছে যেমন, যুবভারতীর ৬৫ হাজার দর্শকের কাছেও তেমনই। আর এমন একটা ব্যাপারকে কী চোখে দেখছেন আমাদের প্রাক্তন ফুটবলাররা?

ছবি সৌজন্য এক্স
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
পুজোর আগেই বাঙালির কাছে্ আর একটা উৎসব – ফুটবল উৎসব। কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ধরা দিচ্ছে তাদের স্বপ্নের, আবেগের দল – ব্রাজিল। ভিনিসিয়াস জুনিয়র – কুনহাদের আটকানোর চেষ্টা করবেন সন্দেশ-আনোয়ররা। গোটা ব্যাপারটাই স্বপ্নের মত। নীল জার্সিতে যাঁরা খেলবেন, তাঁদের কাছে যেমন, যুবভারতীর ৬৫ হাজার দর্শকের কাছেও তেমনই। আর এমন একটা ব্যাপারকে কী চোখে দেখছেন আমাদের প্রাক্তন ফুটবলাররা?
মানস ভট্টাচার্য- খুব ভাল খবর। আমাদের ফুটবলাররা যত এমন ম্যাচ খেলতে পারবে, তত আত্মবিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা বাড়বে। পাশাপাশি তারা কোন জায়গায় আছে, সেটা নিজেরা যাচাই করে নিতে পারবে। ভারতীয় ফুটবল অনুপ্রাণিত হবে। যদি কিছু শিখতে পারে আমাদের ফুটবলাররা, তাতে লাভবান হবে দেশের ফুটবল।
অলোক মুখার্জি – কলকাতার লোক দেখে আনন্দ পাবে। কিন্তু ভারতী. ফুটবলের কতটা লাভ হবে? ভারতীয় দল খুব খারাপ জায়গায় আছে। কতটা আর যুঝতে পারবে? আমরা তো আর বিশ্বকাপ খেলতে পারব না, ওদের দেখেই খুশি হব।
দীপেন্দু বিশ্বাস – এটা বড় ব্যাপার। আমরা আগেও মেসির আর্জেন্টিনাকে যুবভারতীতে দেখেছি। তবে ওরা ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে খেলেছিল। কিন্তু ব্রাজিল খেলবে ভারতের বিরুদ্ধে। এটা দারুণ গর্বের। যুবভারতীর দর্শকরা দেখতে পাবেন, এটাও বড় ব্যাপার।
মেহতাব হোসেন – ভারতীয় ফুটবলের জন্য ভাল খবর, তবে একটা ম্যাচ দিয়ে কিছু হবে না। ডেভলপমেন্ট দরকার। আগেও তো নেহরু কাপে বিশ্বের সেরা ফুটবলাররা খেলে গেছে। যারা খেলার সুযোগ পাবে, তারা ভাগ্যবান। তবে এর ফলে ফুটবলের একটা জোয়ার আসবে, সেটাকে ধরে রাখতে হবে।
রহিম নবি – দারুণ ব্যাপার। শুধু আমি কেন, ব্রাজিলের সব সমর্থক দেখতে পাবে। ফুটবলাররা শিখতে পারবে। কলকাতার জন্য খুব ভাল খবর।
