আর্সেনালকে খোঁচা, রেকর্ড ট্রান্সফারে মর্গ্যান রজার্সকে দলে নিল চেলসি
নতুন সইয়ের ঘোষণার ভিডিও প্রকাশ করে চেলসি তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্সেনালকে কটাক্ষ করতে ভোলেনি। ক্লাবের এক্স (আগের টুইটার) অ্যাকাউন্টে তারা লিখেছে, "He chose Chelsea"। অর্থাৎ, "ও চেলসিকেই বেছে নিয়েছে।"
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
ইংলিশ ফুটবলে নতুন ট্রান্সফার রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার মর্গ্যান রজার্সকে দলে নিল চেলসি। অ্যাস্টন ভিলা থেকে ২৩ বছর বয়সি এই ফুটবলারকে সই করানোর পর শুধু ট্রান্সফার নিয়েই নয়, সামাজিক মাধ্যমেও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ব্লুজরা।
নতুন সইয়ের ঘোষণার ভিডিও প্রকাশ করে চেলসি তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্সেনালকে কটাক্ষ করতে ভোলেনি। ক্লাবের এক্স (আগের টুইটার) অ্যাকাউন্টে তারা লিখেছে, "He chose Chelsea"। অর্থাৎ, "ও চেলসিকেই বেছে নিয়েছে।" সাম্প্রতিক সময়ে রজার্সকে নিয়ে আর্সেনালের আগ্রহের জল্পনা চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গনার্সরা চুক্তি সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়। সেই প্রসঙ্গেই এই বার্তা বলে মনে করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি, রজার্সকে দলে টানতে চেলসি খরচ করেছে ১১৭ মিলিয়ন পাউন্ড, যা ব্রিটিশ ফুটবলের ইতিহাসে নতুন ট্রান্সফার রেকর্ড।
মাত্র দুই মরসুমেই অ্যাস্টন ভিলার অন্যতম নির্ভরযোগ্য ফুটবলার হয়ে উঠেছিলেন রজার্স। গত মে মাসে উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনালে ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভিলা। সেই ম্যাচে গোলও করেছিলেন ইংল্যান্ডের এই আন্তর্জাতিক ফুটবলার। ১৯৮২ সালের পর ভিলার প্রথম বড় ইউরোপীয় ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর।
শুধু তাই নয়, তাঁর পারফরম্যান্সের সুবাদেই আগামী মরশুমের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয় অ্যাস্টন ভিলা। ফলে রজার্সকে দলে নেওয়াকে চেলসির জন্য বড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।
২০২৪ সালে মিডলসব্রো থেকে অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দিয়েছিলেন রজার্স। ভিলার জার্সিতে ১২৫ ম্যাচে তিনি করেছেন ৩১টি গোল। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে একই বছর ইংল্যান্ডের সিনিয়র দলে অভিষেকও হয় তাঁর।
আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নিজের ছাপ রেখেছেন এই তরুণ মিডফিল্ডার। সর্বশেষ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের আটটি ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে খেলেন তিনি। টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করে ইংল্যান্ড। এছাড়া গত প্রিমিয়ার লিগ মরশুমে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সেরা পারফরম্যান্স করে ১০টি লিগ গোল করেন।
এবার চেলসির নীল জার্সিতে সেই ফর্ম ধরে রাখতে পারেন কি না, সেদিকেই তাকিয়ে থাকবে ইংলিশ ফুটবল বিশ্ব।
