বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, হুগলিতে গ্রেপ্তার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল
বাংলার খেলাধুলোর জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের খবর। ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল। বাংলা ও দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপার ব্যাটারকে এক ডাক্তারি ছাত্রীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে।
ছবি সৌজন্য - ইন্স্টাগ্রাম
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
বাংলার খেলাধুলোর জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের খবর। ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল। বাংলা ও দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপার ব্যাটারকে এক ডাক্তারি ছাত্রীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার মগরা পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করে। পোড়েলকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় এবং চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হয়।
ওই তরুণীর অভিযোগ অভিষেকের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাঁদের দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে আলোচনাও হয়েছিল। তরুণীর দাবি, পরে তিনি জানতে পারেন যে পোড়েলের অন্য মহিলাদের সঙ্গেও সম্পর্ক রয়েছে, যার পর থেকেই তাঁদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগে যৌন নির্যাতন, অপরাধমূলক হুমকি এবং ব্যক্তিগত মুহূর্ত রেকর্ড করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তরুণীর আরও অভিযোগ যে, এই অন্তরঙ্গ ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে তাঁকে ভয় দেখানো বা হুমকি দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনাগুলির মধ্যে একটি ঘটেছিল ২ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে দিল্লিতে। তরুণীর দাবি, তাঁকে ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল, খাবার দেওয়া হয়নি এবং তাঁকে এতটাই শারীরিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল যে শেষমেশ তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় পুলিশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেয়। ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও যাতে কোনওভাবেই ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে অভিষেকের সমস্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি পেন ড্রাইভ বাজেয়াপ্ত করেছে এবং সেটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে।
অভিষেক পোড়েল, যিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার এবং আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাঁকে এখন আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত চলছে।
