২০২৭ বিশ্বকাপে জাডেজার জায়গা কি অনিশ্চিত? অক্ষরের উত্থানে বাড়ছে প্রশ্ন
ভারতের একদিনের ক্রিকেটে রবীন্দ্র জাডেজার ভবিষ্যৎ ক্রমশ অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলের প্রথম পছন্দের একাদশে আর নিশ্চিত জায়গা নেই অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারের।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: ভারতের একদিনের ক্রিকেটে রবীন্দ্র জাডেজার ভবিষ্যৎ ক্রমশ অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলের প্রথম পছন্দের একাদশে আর নিশ্চিত জায়গা নেই অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারের।
জাডেজার জায়গা নিয়ে এই অনিশ্চয়তার অন্যতম প্রধান কারণ অক্ষর প্যাটেলের উত্থান। বাঁহাতি স্পিনের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে ভারতীয় দলের একদিনের ক্রিকেটের পরিকল্পনায় ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন অক্ষর। ফলে বাঁহাতি স্পিনার-অলরাউন্ডার হিসেবে জাডেজার জায়গায় সরাসরি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে তাঁর।
এই পরিস্থিতিতেই জাডেজার একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন ভারতীয় ব্যাটার চেতেশ্বর পূজারা। তাঁর মতে, সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় হয়তো আর রাখা হচ্ছে না ৩৭ বছর বয়সি জাডেজাকে। এমনকী, তাঁর শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ইতিমধ্যেই খেলা হয়ে গিয়েছে কি না, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তবে জাডেজার ভবিষ্যৎ নিয়ে এত দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ ভারতের প্রাক্তন সহকারী কোচ অভিষেক নায়ার। অক্ষর আপাতত এগিয়ে থাকলেও, জাডেজার জন্য ভারতীয় দলের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি বলেই মনে করেন তিনি। বিশেষ করে প্রথম পছন্দের অলরাউন্ডার চোটের কারণে ছিটকে গেলে কিংবা অন্য কোনও কারণে খেলতে না পারলে অভিজ্ঞ জাডেজা গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠতে পারেন।
২০২৭ সালের বিশ্বকাপের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এই বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। প্রথম একাদশে নিয়মিত জায়গা না পেলেও জাডেজার অভিজ্ঞতা, নিয়ন্ত্রিত বোলিং, ব্যাট হাতে অবদান এবং অসাধারণ ফিল্ডিং এখনও ভারতীয় দলের সম্পদ। তাই তাঁর গুরুত্ব একেবারে ফুরিয়ে গিয়েছে, এমনটা মনে করার কারণ নেই। বরং ভারতীয় দলের বদলে যাওয়া পরিকল্পনায় তাঁর ভূমিকা বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
অক্ষর প্যাটেল নিজের জায়গা ক্রমশ শক্তিশালী করায় জাডেজাকে হয়তো নিয়মিত প্রথম একাদশের সদস্যের পরিবর্তে অভিজ্ঞ বিকল্প হিসেবেই ভাবতে পারে ভারতীয় দল। এই পরিবর্তন সাময়িক, নাকি জাডেজার একদিনের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষ অধ্যায়ের সূচনা, তার উত্তর দেবে আগামী দিনের নির্বাচনী সিদ্ধান্ত।








