ভারতীয় স্পিনের নতুন সেনসেশন, কে এই মানব সুতার
একেই বোধহয় বলে এলেন, দেখলেন আর জয় করলেন! মানব সুতারের সম্পর্কে এটাই এই মুহূর্তে এই কথাটাই সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। গল টেস্টে মাতিয়ে দিলেন ভারতীয় দলে নবাগত এই স্পিন সেনসেশন। প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও নিলেন ৬ উইকেট। শেষ ১০ বলে চার উইকেট নিয়ে চমকেও দিলেন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত অভিষেকের পর নেমেছিলেন গলে। বুঝিয়ে দিলেন তিনি এসে গেছেন। ভারতের বাঁহাতি স্পিনের নতুন দিশা মানব সুথার।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
একেই বোধহয় বলে এলেন, দেখলেন আর জয় করলেন! মানব সুতারের সম্পর্কে এটাই এই মুহূর্তে এই কথাটাই সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। গল টেস্টে মাতিয়ে দিলেন ভারতীয় দলে নবাগত এই স্পিন সেনসেশন। প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও নিলেন ৬ উইকেট। শেষ ১০ বলে চার উইকেট নিয়ে চমকেও দিলেন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত অভিষেকের পর নেমেছিলেন গলে। বুঝিয়ে দিলেন তিনি এসে গেছেন। ভারতের বাঁহাতি স্পিনের নতুন দিশা মানব সুথার।
পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে ২০০২ সালে জন্ম সুতারের। বাবা জগদীশ সুতার শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক। তিনি ক্রিকেটের প্রতি প্রবল আগ্রহী। ছেলের মধ্যে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে চেয়েছেন। ১১ বছর বয়সে মানবকে ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দেন।
শুরুতে তিনি ছিলেন ব্যাটার। বাবাও চেয়েছিলেন ছেলে বড় ব্যাটসম্যান হোক। কিন্তু কোচ ধীরজ শর্মা কয়েক দিনেই বুঝে যান মানবের বাঁহাতি বোলিংয়ে রয়েছে স্বাভাবিক দক্ষতা। তিনি মানবের বাবাকে বলেন এই দক্ষতাকেই আরও ধারালো করার করে তোলার চেষ্টা করা উচিত।
ছোট থেকেই নিষ্ঠা ছিল চোখে পড়ার মত। সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্র্যাতটিশ সেরে ফিরতেন সন্ধ্যায়. দিনের পর দিন একই জায়গায় বল করে যাওয়ার অনুশীলন, ফ্লাইট, ড্রিফট আর স্পিনে গড়ে ওঠা তাঁর নিজস্ব বোলিং স্টাইল।
রঞ্জি ট্রফিতে তাঁর বিস্ফোরক উথ্থান। ছয় ম্যাচে ৩৯ উইকেট নিয়ে সকলের নজরে চলে আসেন। আসতে থাকে সুযোগ। ২০২৩-এ ইমার্জিং এশিয়া কাপের দলে সুযোগ পান। বোলিংয়ের পাশাপাশি নজর টানতে থাকেন ব্যাটিংয়েও। ২০২৪ সালে সুযোগ পান আইপিএলে। গুজরাট টাইটানসে। তারপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সোরগোল ফেলে দেওয়া শুরু। গল টেস্টে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ভবিষ্যতের তারকা। তিনি অশ্বিন-জাদেজার জুতোয় পা গলানোর জন্য এখনই তৈরি।
