বৈভব সূর্যবংশীকে দলীপ ট্রফিতে সহঅধিনায়ক করা নিয়ে কেন অযথা বিতর্ক
যে ক্রিকেটার মাত্র ১২ বছর বয়সে রণজি ট্রফিতে অভিষেক ঘটাতে পারেন, যিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটাতে পারেন, যিনি ১৪ বছর বয়সে রণজি ট্রফিতে নিজের রাজ্যের অধিনায়ক হতে পারেন, তিনি ১৫ বছর বয়সে দলীপ ট্রফিতে সহঅধিনায়ক হতে পারেন না?
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
বৈভব সূর্যবংশীকে দলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলের সহঅধিনায়ক করা নিয়ে অদ্ভুত একটা বিতর্ক ভারতীয় ক্রিকেটে। সত্যিই কি এই বিতর্ক হওয়া উচিত? যুক্তি আছে এই বিতর্কের?
যে ক্রিকেটার মাত্র ১২ বছর বয়সে রণজি ট্রফিতে অভিষেক ঘটাতে পারেন, যিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটাতে পারেন, যিনি ১৪ বছর বয়সে রণজি ট্রফিতে নিজের রাজ্যের অধিনায়ক হতে পারেন, তিনি ১৫ বছর বয়সে দলীপ ট্রফিতে সহঅধিনায়ক হতে পারেন না? যেখানে তাঁর ক্রিকেটবুদ্ধি, পরিণতিবোধ নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই! এই গুণগুলো কি বৈভবের ব্যাটিং ও শরীরীভাষায এবং বিহারের অধিনায়ক হিসাবে ফুটে ওঠেনি? তাহলে এত প্রশ্ন তোলার কী আছে! অধিনায়ক তো নয়, সহঅধিনায়ক করা হয়েছে। তাই তাঁকে যেমন ক্রিকেটার হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে, সেভাবেই যদি ভবিষ্যতের অধিনায়ক হিসাবে গড়ে তোলা হয়, সমস্যা কোথায়? যেখানে এটা বোঝা গেছে যে নেতৃত্বগুণ তাঁর সহজাত!
মহেন্দ্র সিং ধোনি কবে ভারতের অধিনায়ক হয়েছিলেন? ২০০৪-এর ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়। আর ২০০৭-এই অধিনায়ক। আরও আছে। মনসুর আলি খান পতৌদি ভারতের অধিনায়ক হয়েছিলেন ২১ বছর বয়সে। রশিদ খান আফগানিস্তানের অধিনায়ক হন ১৯ বছর বয়সে। ওয়াকার ইউনিস ও গ্রেম স্মিথ ২২ বছর বয়সে জাতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পান। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের দিকে দেখুন। ঋষভ পন্থ ২০ বছর বয়সে ও সচিন তেন্ডুলকর ২১ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব পান। সেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নয়, ঘরোয়া ক্রিকেটে, অধিনায়ক নন, সহঅধিনায়ক বৈভব। এতে হইচইয়ের কোনও কারণ আছে কি?
সহঅধিনায়ক হিসাবে সামনে দেখবেন ক্যাপ্টেন ঈশান কিষাণকে। নেতৃত্বগুণ আরও পরিশীলিত হবে। তাতে তাঁর যতটা লাভ, তার চেয়ে বেশি লাভ ভারতীয় ক্রিকেটের। নেতৃত্বগুণ থাকা একজনকে অল্প বয়সেই যদি নেতা হিসাবে গড়ে তুলতে এই পথে হাঁটা যায়, আপত্তির কিছু আছে কি? প্রশ্ন তোলা উচিত কি? অযথা বিতর্কের প্রয়োজন আছে?
