বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখেরই জয়জয়কার
বিশ্বকাপের মঞ্চেও এখনও পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখের আক্রমণভাগের দাপট! হ্যারি কেন, মাইকেল অলিজে এবং লুইস দিয়াজ—তিনজনই নিজেদের নিজ নিজ দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচেই জিতে নিয়েছেন ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার।

বিশ্বকাপের মঞ্চেও এখনও পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখের আক্রমণভাগের দাপট! হ্যারি কেন, মাইকেল অলিজে এবং লুইস দিয়াজ—তিনজনই নিজেদের নিজ নিজ দেশের হয়ে প্রথম ম্যাচেই জিতে নিয়েছেন ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার।
ক্লাব ফুটবলে এক ঐতিহাসিক মরশুম কাটিয়ে বিশ্বকাপে এসেছিলেন এই তিন তারকা। বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে কেন, অলিসে ও দিয়াজ মিলে গোল এবং অ্যাসিস্ট করেছেন অবিশ্বাস্য ১৭০টি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এসে তাঁদের সেই দুরন্ত ফর্ম যে একটুও কমেনি, তা স্পষ্ট হয়ে গেল গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচগুলোতেই।
এই আধিপত্যের শুরুটা করেন ফ্রান্সের সৃজনশীল মিডফিল্ডার মাইকেল অলিজে। সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচে পুরো খেলার ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। দুর্দান্তভাবে গোটা মাকে দেখা, নিখুঁত পাসিং এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিস্টের সুবাদে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন অলিসে।
তাঁকে টেক্কা দিতে পিছিয়ে থাকেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের প্রথম ম্যাচে দুই গোল করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেন তিনি। নিজের অসাধারণ ফিনিশিং ও নেতৃত্বের জোরে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তাঁর হাতেই।
এরপর বায়ার্নের এই ‘হ্যাটট্রিক’ সম্পূর্ণ করেন কলম্বিয়ার উইঙ্গার লুইস দিয়াজ। উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে প্রতিপক্ষ রক্ষণকে কার্যত ছিন্নভিন্ন করে দেন ‘লুচো’। ম্যাচ শেষে তাঁর হাতেও ওঠে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ সম্মান।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁরা তিনজন তিনটি ভিন্ন দেশের জার্সি গায়ে খেললেও, মিউনিখে গড়ে ওঠা বোঝাপড়া এবং বিশ্বমানের ফুটবলীয় মানসিকতার ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে তাঁদের পারফরম্যান্সে। তিনটি ম্যাচ, তিনটি দেশ এবং তিনটি ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার—বায়ার্ন মিউনিখের আক্রমণভাগ যেন বিশ্বকাপের মঞ্চেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের ছাপ রেখে চলেছে।
বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড যদি কোনও ইঙ্গিত দিয়ে থাকে, তবে তা একটাই—হ্যারি কেন, মাইকেল অলিজে ও লুইস দিয়াজ শুধু বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসেননি, তাঁরা এসেছেন বিশ্বমঞ্চে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে।








