অবাক করা অদ্ভুত ম্যাচে ৯০ মিনিটে ১০ গোল, ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থান পেল ইংল্যান্ড
অদ্ভুতভাবে প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু কেন এমন হল? কারণ ফরাসি ফুটবলারদের প্রথমার্ধে খেলার ইচ্ছা ছিল না। তাদের কোচ ম্যাচের আগে বলেছিলেন এই তৃতীয় স্থানের ম্যাচটা আমরা খেলতে চাইনি। ইংল্যান্ডও চায়নি। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে দেখা গেল দুদলই প্রথম দলে ৫-৭টি পরিবর্তন করলেও ইংল্যান্ড ফুটবলাররা অন্তত পেশাদারিত্বের সঙ্গে সিরিয়াসলি ম্যাচটাকে নিল। কিন্তু ফরাসিরা মাঠে যেন প্রাতঃভ্রমণ করতে বেরিয়েছেন। গোটা প্রথমার্ধ হেঁটে বেড়ালেন। মোটিভেশন নেই। লক্ষ্য নেই। তাই কোনও তাগিদও নেই।

ছবি সৌজন্য - এক্স
এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
স্কোর লাইন দেখে মনে হতে পারে দুর্ধর্ষ ম্যাচ হয়েছে। ৯০ মিনিটে ১০টি গোল। ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান পেল ইংল্যান্ড। এই স্কোর লাইন দেখে যৈাি মনে হোক, অবাক করার মত একটা ম্যাচ হল। নাটক ছিল ঠিকই, উল্লেখযোগ্য ঘটনাও ছিল। যেমন বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক। যেমন দুটি গোল করে মেসিকে টপকে বিশ্বকাপে মোট গোলের সংখ্যায় শীর্যে চলে গেলেন এমবাপে। তাঁর গোল সংখ্যা হল ২২। মেসি করেছেন ২১ গোল। আর এই বিশ্বকাপে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে গেলেন ফরাসি তারকা। মেসির গোল সংখ্যা ৮।
অদ্ভুতভাবে প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু কেন এমন হল? কারণ ফরাসি ফুটবলারদের প্রথমার্ধে খেলার ইচ্ছা ছিল না। তাদের কোচ ম্যাচের আগে বলেছিলেন এই তৃতীয় স্থানের ম্যাচটা আমরা খেলতে চাইনি। ইংল্যান্ডও চায়নি। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে দেখা গেল দুদলই প্রথম দলে ৫-৭টি পরিবর্তন করলেও ইংল্যান্ড ফুটবলাররা অন্তত পেশাদারিত্বের সঙ্গে সিরিয়াসলি ম্যাচটাকে নিল। কিন্তু ফরাসিরা মাঠে যেন প্রাতঃভ্রমণ করতে বেরিয়েছেন। গোটা প্রথমার্ধ হেঁটে বেড়ালেন। মোটিভেশন নেই। লক্ষ্য নেই। তাই কোনও তাগিদও নেই। সেই সুযোগেই ইংল্যান্ড প্রথমার্ধে চার গোল করে গেল। রাইস, কনসা একটি করে গোল করলেন। সাকা করলেন দুটি গোল।
এর ফলেই হয়ত আঁতে ঘা লাগল ফ্রান্সের। দ্বিতীয়ার্ধে যেমন দেশঁ নিয়মিত প্রথম দলের কয়েকজনকে নামালেন, তেমনি সম্মান পুনরুদ্ধারের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লেন ফরাসি ফুটবলাররা। ফলও মিলল। পরপর তিনটি গোল শোধ। এমবাপে দুটি ও বারকোলা একটি গোল করলেন। তখনই চতুর্থ গোলটিও শোধ হয়ে যেত যদি দেম্বেলে গোলরক্ষকের হাতে না মারতেন কিংবা ওলিজে পরপর দুটি বল বাইরে মারতেন। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ৫-৩ করে দেন সাকা। সম্পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক। এরপরই দেম্বেলে স্কোরলাইন ৫-৪ করে দেন। কিন্তু ইনজুরি সময়ের শেষ দিকে নিজের জাত চিনিয়ে ৬-৪ করে দেন পরিবর্ত হিসাবে নামা বেলিংহ্যাম।
এটাই ছিল ফ্রান্সের কোচ হিসাবে দিদিয়ের দেশঁর শেষ ম্যাচ। এবার শুরু হবে জিদান জমানা।
