ব্রাজিলের ‘জোগা বোনিতো’র নতুন মুখ হতে চলেছেন ১৪ বছরের কাউয়ান বাসিলে?
২০১২ সালের ২১ জুন জন্মগ্রহণকারী কাউয়ান মূলত একজন মিডফিল্ডার। তবে প্রয়োজনে ফরোয়ার্ড হিসেবেও খেলতে পারেন। বাঁ পায়ে স্বচ্ছন্দ এই তরুণ ফুটবলারের খেলার মধ্যে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী শৈলীর স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। তাঁর ড্রিবলিং, বল কন্ট্রোল এবং প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ওঠার দক্ষতা ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
এক্সট্রা টাইম বাংলা ওয়েব ডেস্ক: ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী ‘জিঙ্গা’ (Ginga) এবং ‘জোগা বোনিতো’ (Joga Bonito)-র নান্দনিক মিশেলে নজর কেড়েছেন ১৪ বছর বয়সি ফুটবল প্রতিভা কাউয়ান বাসিলে (Kauan Basile)। অসাধারণ বল নিয়ন্ত্রণ, দ্রুতগতির ড্রিবলিং, সৃজনশীল পাসিং এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল দিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রাজিলের অন্যতম আলোচিত কিশোর প্রতিভা হয়ে উঠেছেন তিনি।
২০১২ সালের ২১ জুন জন্মগ্রহণকারী কাউয়ান মূলত একজন মিডফিল্ডার। তবে প্রয়োজনে ফরোয়ার্ড হিসেবেও খেলতে পারেন। বাঁ পায়ে স্বচ্ছন্দ এই তরুণ ফুটবলারের খেলার মধ্যে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী শৈলীর স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। তাঁর ড্রিবলিং, বল কন্ট্রোল এবং প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ওঠার দক্ষতা ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
বর্তমানে কাউয়ান খেলছেন ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব সান্তোস এফসির যুব অ্যাকাডেমিতে। নেইমার, রদ্রিগো-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক তারকা এই ক্লাবের যুবপরিকাঠামো থেকে উঠে এসেছেন। ফলে সান্তোসের এই নতুন প্রতিভাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে।
মাত্র ৮ বছর বয়সেই ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা Nike-এর সঙ্গে স্পনসরশিপ চুক্তি করে আলোচনায় এসেছিলেন কাউয়ান। অল্প বয়সেই তাঁর প্রতিভার প্রতি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলির নজর পড়ার বিষয়টি ফুটবলমহলে বিশেষভাবে আলোচিত হয়।
কাউয়ানের ফুটবল আদর্শদের তালিকায় রয়েছেন ব্রাজিলের তারকা নেইমার এবং ভেনেজুয়েলার ফুটবলার ইয়েফারসন সোটেলদো। তাঁদের মতোই ড্রিবলিং, দ্রুত পায়ের কাজ এবং সৃজনশীল ফুটবলের প্রতি কাউয়ানের ঝোঁক রয়েছে। তাঁর বাবা আন্দ্রেজিনিও নিজেও একজন ফুটবলার ছিলেন। তাঁর মা ইতালীয় বংশোদ্ভূত।
২০২৫ সালে কাউয়ানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং ইমেজ রাইটস চুক্তি করে সান্তোস। লক্ষ্য, তাড়াহুড়ো না করে ধাপে ধাপে এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে গড়ে তোলা।
কাউয়ানের প্রতিভা দেখে ইতিমধ্যেই কেউ কেউ তাঁকে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সম্ভাব্য ‘তুরুপের তাস’ হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন। তবে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও তাঁর সামনে দীর্ঘ পথ পড়ে রয়েছে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে কোনও ফুটবলারকে ভবিষ্যতের মহাতারকা হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা ঝুঁকিপূর্ণ। ধারাবাহিকতা, চোটমুক্ত থাকা, মানসিক প্রস্তুতি এবং সঠিক প্রশিক্ষণই শেষ পর্যন্ত তাঁর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
তবে বর্তমান প্রতিভা এবং খেলার ধরন দেখে একটি বিষয় স্পষ্ট—ব্রাজিলের নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের মধ্যে কাউয়ান বাসিলেকে নজরে রাখতেই হবে। ভবিষ্যতে তিনি কি সত্যিই ব্রাজিলের ‘জোগা বোনিতো’র নতুন মুখ হয়ে উঠবেন? উত্তর দেবে সময়।
