৩৬ দিনের বন্দিদশার অবসান, জামিন পেলেন অভিষেক পোড়েল
গত ১১ অগস্ট মগরা থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন অভিষেক। এক তরুণী মেডিক্যাল পড়ুয়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, যৌন হেনস্থা এবং ব্ল্যাকমেলের মতো অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছিল।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: অবশেষে স্বস্তি বাংলার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলের। একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতারের পর ৩৬ দিন জেল হেফাজতে কাটিয়ে বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিন পেলেন বাংলার বাঁহাতি ব্যাটার ও উইকেটকিপার। চুঁচুড়া আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে শুক্রবারই জেল থেকে মুক্তি পেতে পারেন তিনি।
গত ১১ অগস্ট মগরা থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন অভিষেক। এক তরুণী মেডিক্যাল পড়ুয়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, যৌন হেনস্থা এবং ব্ল্যাকমেলের মতো অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছিল।
পূর্বে অভিযোগকারিণী দাবি করেছিলেন যে, অভিষেক বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। এর পাশাপাশি অভিযোগকারিণী কে তার ব্যক্তিগত ও অপত্তিকর ছবি দেখিয়ে ভয় দেখানো এবং ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও ওঠে অভিষেকের বিরুদ্ধে। কিন্তু, প্রথম থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ যোগ অস্বীকার করেন অভিষেক।
মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর একাধিক ধারার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬ই ও ৭২ নম্বর ধারাও যুক্ত করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ১৯টি ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেকের ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
অভিষেককে গ্রেফতারের দিনই মামলাটি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি হয়। সেখানে মগরা থানার পুলিশ জানায়, ক্রিকেটারকে গ্রেফতার করে চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনায় আরও এক ব্যক্তির নাম সামনে আসে। তাঁকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জানা যায়।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর অবশেষে জামিন পেলেন অভিষেক। তবে বৃহস্পতিবারই তাঁর মুক্তি হচ্ছে না। প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও অন্যান্য আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজোর দিন জেল থেকে বেরোতে পারেন তিনি








