Xtra Time Bangla logo
সর্বশেষ খবর
১৩ বছর পর ঈশান কিষানের অধিনায়কত্বে দলীপে সূর্যোদয় পূর্বাঞ্চলে বারবার চোটে ছিটকে যাচ্ছেন খেলোয়াড়রা, আসন্ন টি-২০-তে দল নির্বাচনে ফের অনিশ্চয়তাফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট নয়, দেশের জার্সিই আগে: বড় সিদ্ধান্ত স্যান্টনারেরপ্রজন্ম বদলেছে, আনন্দের লড়াই নয়: ৫৬-তেও জারি কিংবদন্তির পথচলাচীনের মাটিতে পাকিস্তান বধ ভারতের: ১৯ গোল ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৭ মহিলা দলের ভারত বনাম ব্রাজিল: কলকাতার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন ব্রাজিলের তারকাখচিত দলভারতে প্রত্যাবর্তন ভিনিসিয়াসের! এক দশক পর সেই পরিচিত মাটিতে ব্রাজিল তারকাজীবন থামেনি, দৌড়ও নয়:দিলীপ গাভিতের সামনে এবার জোড়া সোনার হাতছানিপাঁচ মাস পর প্রত্যাবর্তন! অস্ট্রেলিয়া এ সিরিজে ইন্ডিয়া এ দলে হার্দিক পান্ডিয়াকার্লসেনের পর সিনদারভ, পরপর দুই ম্যাচে সময়ের কাছে হার আনন্দের১৩ বছর পর ঈশান কিষানের অধিনায়কত্বে দলীপে সূর্যোদয় পূর্বাঞ্চলে বারবার চোটে ছিটকে যাচ্ছেন খেলোয়াড়রা, আসন্ন টি-২০-তে দল নির্বাচনে ফের অনিশ্চয়তাফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট নয়, দেশের জার্সিই আগে: বড় সিদ্ধান্ত স্যান্টনারেরপ্রজন্ম বদলেছে, আনন্দের লড়াই নয়: ৫৬-তেও জারি কিংবদন্তির পথচলাচীনের মাটিতে পাকিস্তান বধ ভারতের: ১৯ গোল ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৭ মহিলা দলের ভারত বনাম ব্রাজিল: কলকাতার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন ব্রাজিলের তারকাখচিত দলভারতে প্রত্যাবর্তন ভিনিসিয়াসের! এক দশক পর সেই পরিচিত মাটিতে ব্রাজিল তারকাজীবন থামেনি, দৌড়ও নয়:দিলীপ গাভিতের সামনে এবার জোড়া সোনার হাতছানিপাঁচ মাস পর প্রত্যাবর্তন! অস্ট্রেলিয়া এ সিরিজে ইন্ডিয়া এ দলে হার্দিক পান্ডিয়াকার্লসেনের পর সিনদারভ, পরপর দুই ম্যাচে সময়ের কাছে হার আনন্দের

১৩ বছর পর ঈশান কিষানের অধিনায়কত্বে দলীপে সূর্যোদয় পূর্বাঞ্চলে

ইস্ট জোনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের অন্যতম নায়ক ছিলেন অধিনায়ক ঈশান কিষাণ। প্রথম ইনিংসে দুরন্ত ২৭০ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৮০ রান করেন তিনি। ফলে ফাইনালে তাঁর মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৫০ রান। তাঁর ব্যাটিংয়ের উপর ভর করেই প্রথম থেকেই ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে নেয় ইস্ট জোন।

লিখেছেন Adminপ্রকাশিত Sep 10, 2026, 7:04 PM
ShareWhatsAppFacebookX
১৩ বছর পর ঈশান কিষানের অধিনায়কত্বে দলীপে সূর্যোদয় পূর্বাঞ্চলে

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: অবশেষে দীর্ঘ ১৩ বছরের অপেক্ষার অবসান। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে ফাইনাল ড্র হওয়ার পর দলীপ ট্রফি জিতে নিল ইস্ট জোন। প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঈশান কিষাণের নেতৃত্বাধীন দল।

ফাইনালে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ইস্ট জোন। প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রানের বিশাল স্কোর গড়ে তারা। জবাবে দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংস থামে ৩৩৬ রানে। ফলে প্রথম ইনিংসে ইস্ট জোনের লিড দাঁড়ায় ৩৭২ রান। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ড্র হওয়ায় সেই লিডই শিরোপা নির্ধারণ করে দেয়।

ইস্ট জোনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের অন্যতম নায়ক ছিলেন অধিনায়ক ঈশান কিষাণ। প্রথম ইনিংসে দুরন্ত ২৭০ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৮০ রান করেন তিনি। ফলে ফাইনালে তাঁর মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৫০ রান। তাঁর ব্যাটিংয়ের উপর ভর করেই প্রথম থেকেই ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে নেয় ইস্ট জোন।

তবে এই জয় কোনও এক জনের কৃতিত্ব নয়। ইস্ট জোনের হয়ে কুমার কুশাগ্র ১০১ রান করেন। শিখর মোহন করেন ৮৫ এবং অভিমন্যু ঈশ্বরণ করেন ৭২ রান। তরুণ বৈভব সূর্যবংশীও ৪৪ রান করে দলের স্কোর বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। অনুকূল রায় এবং মহম্মদ কৌনাইন কুরেশিও ব্যাট হাতে প্রয়োজনীয় অবদান রাখেন।

ব্যাটারদের পর বোলাররাও ম্যাচে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। দক্ষিণাঞ্চলকে বড় রান করতে না দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন মুকেশ কুমার। তিনি তিনটি উইকেট নেন। তাঁর সঙ্গে মহম্মদ শামি, কৌনাইন কুরেশি এবং শিখর মোহনও দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাটিংয়ে চাপ তৈরি করেন।

দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে অধিনায়ক তিলক বর্মা ৯৯ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও দলকে জয় এনে দিতে পারেনি। প্রথম ইনিংসে ইস্ট জোনের থেকে ৩৭২ রান পিছিয়ে শেষ করে দক্ষিণাঞ্চল।

ইস্ট জোনের এই ঐতিহাসিক জয়ের পর দলের সঙ্গে উদযাপনে যোগ দেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ঈশান কিষাণের নেতৃত্বের প্রশংসা করার পাশাপাশি পুরো দলের পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেন তিনি।

সৌরভ বলেন, “অনেক বছর পর দলীপ ট্রফি জেতার জন্য ইশান কিষাণের নেতৃত্বাধীন ইস্ট জোনকে অভিনন্দন। পুরো প্রতিযোগিতায় তারা অপরাজিত থেকেছে। গোটা টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য বাংলার ক্রিকেটারদের এবং দলের অন্যান্য সদস্যদেরও অভিনন্দন।”

ঈশান জন্য এই জয় আরও বিশেষ। ঘরোয়া লাল বলের ক্রিকেটে ফিরে এসে ফাইনালে তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রমাণ করল, সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য তিনি কতটা প্রস্তুত। তবে অধিনায়ক হিসেবে ঈশান বারবার দলের একসঙ্গে থাকার উপর জোর দিয়েছেন।

শেষ পর্যন্ত সেটাই ইস্ট জোনের সাফল্যের মূল কারণ হয়ে দাঁড়াল। ঈশান ২৭০, কুশাগ্রর শতরান, দলের অন্যান্য ব্যাটারদের গুরুত্বপূর্ণ রান এবং বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্স—সব মিলিয়েই ১৩ বছর পর দলীপ ট্রফি ঘরে তুলল ইস্ট জোন।

🔥 এখন ট্রেন্ডিং

ক্রিকেটSep 10

১৩ বছর পর ঈশান কিষানের অধিনায়কত্বে দলীপে সূর্যোদয় পূর্বাঞ্চলে

ইস্ট জোনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের অন্যতম নায়ক ছিলেন অধিনায়ক ঈশান কিষাণ। প্রথম ইনিংসে দুরন্ত ২৭০ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৮০ রান করেন তিনি। ফলে ফাইনালে তাঁর মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৫০ রান। তাঁর ব্যাটিংয়ের উপর ভর করেই প্রথম থেকেই ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে নেয় ইস্ট জোন।

ক্রিকেটSep 10

বারবার চোটে ছিটকে যাচ্ছেন খেলোয়াড়রা, আসন্ন টি-২০-তে দল নির্বাচনে ফের অনিশ্চয়তা

চোটের কারণে পেসার হর্ষিত রানা ছিটকে যাওয়ায় তাঁর জায়গায় দলে নেওয়া হয়েছে যশ ঠাকুরকে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে ফের সামনে চলে এসেছে ভারতীয় ক্রিকেটারদের চোটের সমস্যা। এর আগে চোটের কারণে তালিকায় ছিলেন ঋষভ পন্থ, সাই সুদর্শন, জসপ্রীত বুমরাহ এবং ওয়াশিংটন সুন্দর। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলা সূচির কারণে ভারতীয় দলের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলির একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রিকেটারদের ফিট রাখা এবং একটি স্থির কম্বিনেশন ধরে রাখা।

ক্রিকেটSep 10

ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট নয়, দেশের জার্সিই আগে: বড় সিদ্ধান্ত স্যান্টনারের

বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলি ক্রিকেটারদের সামনে বড় আর্থিক সুযোগ এনে দিচ্ছে। তার মধ্যেও স্যান্টনারের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারেরই  প্রমাণ। অর্থের চেয়ে দেশের হয়ে খেলা এবং নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

অন্য খেলাSep 10

প্রজন্ম বদলেছে, আনন্দের লড়াই নয়: ৫৬-তেও জারি কিংবদন্তির পথচলা

৫৬ বছর বয়সেও গ্লোবাল চেস লিগের অন্যতম বড় আকর্ষণ বিশ্বনাথন আনন্দ। এমন এক প্রজন্মের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে এখনও তিনি বোর্ডে লড়াই করছেন, যাদের প্রস্তুতির ধরন, খেলার গতি এবং আধুনিক দাবার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি অনেকটাই আলাদা। এই পর্যায়ের দাবায় সামান্য ভুলও ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। সাম্প্রতিক ফলাফলও দেখাচ্ছে, এতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে ধারাবাহিকভাবে সেরাটা দেওয়া কতটা কঠিন।