একটি ম্যাচে অবিশ্বাস্য ১৫টি সেভ! বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লেন কুরাসাও গোলরক্ষক এলয় রুম
অবিশ্বাস্য এক গোলকিপিং-এর নির্দশন রেখে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়ে ফেললেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রুম। ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে তিনি একাই করেন ১৫টি সেভ, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৯০ মিনিটের নির্ধারিত সময়ে কোনও গোল না হজম করে সর্বোচ্চ সেভের নতুন রেকর্ড।

এক্সট্রাইম ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপের মঞ্চে অবিশ্বাস্য এক গোলকিপিং-এর নির্দশন রেখে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়ে ফেললেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রুম। ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে তিনি একাই করেন ১৫টি সেভ, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৯০ মিনিটের নির্ধারিত সময়ে কোনও গোল না হজম করে সর্বোচ্চ সেভের নতুন রেকর্ড।
ক্যারিবীয় দ্বীপদেশ কুরাসাও অর্জন করল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট। আর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের নায়ক হয়ে ওঠেন রুম। ম্যাচজুড়ে ইকুয়েডর একের পর এক আক্রমণ চালালেও দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পর এটি ছিল কুরাসাওয়ের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। সেই হতাশা ঝেড়ে ফেলে এলয় রুমের অনবদ্য পারফরম্যান্স দলকে এনে দেয় মূল্যবান এক পয়েন্ট।
পরিসংখ্যান বলছে, ম্যাচে ইকুয়েডর মোট ২৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি ছিল লক্ষ্যে। তবে রুমের অসাধারণ দক্ষতায় সবকটিই ব্যর্থ হয়। ম্যাচে তিনি ২.৪৮ ‘গোলস প্রিভেন্টেড’ রেকর্ড করেন, যা টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে কোন গোলরক্ষকের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
এলয় রুমের ১৫টি সেভ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড থেকেও মাত্র এক ধাপ দূরে। বর্তমানে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ সেভের রেকর্ডটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি গোলরক্ষক টিম হাওয়ার্ডের দখলে, যিনি ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েছিলেন।
এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘ই’-এর সমীকরণেও এসেছে নতুন মোড়। নকআউট পর্বে ওঠার আশা এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে কুরাসাও। তাদের পরবর্তী ম্যাচ ফিলাডেলফিয়ায় আইভরি কোস্টের বিপক্ষে।
মাত্র প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার ছোট্ট দ্বীপদেশ কুরাসাওয়ের জন্য এটি নিঃসন্দেহে এক স্মরণীয় রাত। আর এলয় রুমের এই অবিশ্বাস্য গোলকিপিং প্রদর্শনী দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বকাপ ও আঞ্চলিক ফুটবলের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ছবি: ফিফা








