ম্যাচ জিতলেও ফিনিশিংয়ের অভাব বড় লড়াইয়ে ভোগাতে পারে মরক্কোকে
১-০ গোলে স্কটিশবধ করে টুর্নামেন্টে প্রথম জয়। বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল করে ম্যাচটা শুরু করল মরক্কো। ঠিক ব্রাজিল ম্যাচের মতই ব্রাহিম দিয়াজ আর ইসমাইল সাইবারির যুগলবনব্দিতে দ্বিতীয় মিনিটেই গোল তুলে নেন হাকিমিরা।

গৌতম রায়
১-০ গোলে স্কটিশবধ করে টুর্নামেন্টে প্রথম জয়। বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল করে ম্যাচটা শুরু করল মরক্কো। ঠিক ব্রাজিল ম্যাচের মতই ব্রাহিম দিয়াজ আর ইসমাইল সাইবারির যুগলবনব্দিতে দ্বিতীয় মিনিটেই গোল তুলে নেন হাকিমিরা। রাইট উইঁ দিয়ে দিয়াজের দুর্দান্ত ওভার হেড পাসটা দারুনভাবে নিয়ে একটু এগিয়েই একবার মাথা তুলে দেখলেন সাইবারি, কে কোথায় আছেন, তারপরই নিখুঁত শটে বল জালে জড়ালেন।
ব্রাজিলের বিরুদ্ধেও এভাবেই ঝড় তুলে শুরু করেছিল মরক্কো। স্কটিশদেরও প্রথম মিনিট পনেরো একেবারেই থিতু হতে দেয়নি।
এই মরক্কো দলটা কত ভাল, তার জন্য একটা তথ্যই যথেষ্ট। টানা অপরাজিত থাকার বিশ্বরেকর্ড তাদের দখলে। একটানা ৩৯টি ম্যাচে তারা হারেনি। ভেঙে দিয়েছে আর্জেন্টিনার টানা ৩৬টি ও ইতালির টানা ৩৭টি ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড।
আসলে দলটা কোথায় এগিয়ে? মূলত গতি ও স্কিলে। এ রকম গতিতে হয়ত বেশ কিছু দলই খেলছে, কিন্তু ওই গতির সঙ্গে যে স্কিলটা রয়েছে এই মরক্কোর, সেটাই তাদের এগিয়ে রাখছে। একের বিরুদ্ধে এক লড়াইয়ে গতিতে মরক্কোর ফুটবলাররা সব সময়ই এগিয়ে থাকছে। দুর্বলতা বলতে ফিনিশিংয়ে। এদিনও যে সুযোগ তারা তৈরি করেছিল, তাতে একাধিক গোলে জেতার কথা। দ্বিতীয়ার্ধটাও একইভাবে শুরু করতে পারতেন সাইবারি। দ্বিতীয়ার্ধেও প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই গোল পেতে পারতেন। তাঁর শট ডিফ্লেক্টেড হয়ে ক্রসবারে আছড়ে পড়ল। ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা পরের দিকে আরও বড় লড়াইয়ে ভোগাতে পারে হাকিমিদের।
স্কটল্যান্ডকে কৃতিত্ব দিতে হবে এই কারণেই যে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শুরুতেই গোল খেয়ে গুটিয়ে যায়নি। বরং অনেক বেশি উজ্জীবিত হয়ে ইতিবাচক থেকে লড়াই চালিয়ে গেছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে তো বেশ কয়েকবার গোলের খুব কাছে চলে এসেছিল।মরক্কোর শুরুর ঝড়ের বদলাটা যেন ম্যাচের শেষের দিকে নিল স্কটল্যান্ড। তবে মরিয়া হয়ে ঝাঁপালেও গোলটা আর শোধ হল না। এই ব্যাপারটাও ভাবাবে মরক্কো কোচকে। দুটি ম্যাচেই প্রথমার্ধে যে দাপট ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে সেটা ছিল না। তবু ভাবাবে। এই মরক্কো ভাবাবে। সবাইকেই ভাবাবে।








