বর্ণবিদ্বেষমূলক আচরণের অভিযোগ থেকে অস্ট্রেলিয়ান রেফারিকে মুক্তি দিল ফিফা
বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করছেন এমন এক রেফারির বিরুদ্ধে ওঠা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী (হোয়াইট সুপ্রিমাসিস্ট) হাতের ইঙ্গিত প্রদর্শনের অভিযোগে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফিফা। তাঁকে অভিযোগ থেকে মুক্তিও দেওয়া হয়েছে।

এক্সট্রাইম ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করছেন এমন এক রেফারির বিরুদ্ধে ওঠা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী (হোয়াইট সুপ্রিমাসিস্ট) হাতের ইঙ্গিত প্রদর্শনের অভিযোগে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফিফা। তাঁকে অভিযোগ থেকে মুক্তিও দেওয়া হয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা জানায়, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR) কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়ার শন ইভান্সের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্ত করে তাদের স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটি ফিফার শৃঙ্খলাবিধি লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ খুঁজে পায়নি।
এর আগে বিশ্বকাপে ফিফার বৈষম্যবিরোধী পর্যবেক্ষক ইভান্সকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। অভিযোগ ছিল, জার্মানির বিপক্ষে কুরাসাওয়ের ম্যাচের আগে সম্প্রচারিত একটি দৃশ্যে তিনি এমন একটি হাতের ইঙ্গিত করেছিলেন, যা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের ব্যবহৃত প্রতীকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
রবিবার হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির সম্প্রচারের সময় ভিডিও রিভিউ কর্মকর্তাদের দেখানো হলে ইভান্সকে ডান হাত দিয়ে ‘ওকে’ (OK) চিহ্নের মতো একটি ভঙ্গি করতে দেখা যায়। যদিও ম্যাচটি হিউস্টনে অনুষ্ঠিত হয়, ভিডিও কর্মকর্তারা ডালাসে অবস্থিত বিশ্বকাপ ব্রডকাস্ট সেন্টার থেকে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অভিযোগের জবাবে শন ইভান্স বলেন, তার ওই হাতের ভঙ্গি কোনোভাবেই ইচ্ছাকৃত ছিল না এবং এর মাধ্যমে তিনি “কোনও বার্তা, মতাদর্শ, সংগঠন বা বিশ্বাসের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করতে চাননি”।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে এটি ছিল একটি অনিচ্ছাকৃত ও অবচেতন নড়াচড়া। ঘটনাটি ঘটার সময় আমি নিজেও তা বুঝতে পারিনি।”
তিনি আরও জানান, ম্যাচ চলাকালে তোলা অন্যান্য ছবিতে দেখা গেছে যে তিনি আঙুলের মাঝে কলম ধরে রাখার সময় একই ধরনের নড়াচড়া বহুবার করেছেন।
ইভান্স বলেন, “ঘটনার পর যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা আমার প্রকৃত পরিচয়কে প্রতিফলিত করে না। আমি বুঝতে পারছি কেন অনেকে এই ভঙ্গিটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন এবং সে জন্য আমি দুঃখিত। তবে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, অভিযোগে উল্লেখ করা প্রতীকটি আমি সচেতনভাবে বা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রদর্শন করিনি।” পরে ফিফা তদন্ত শেষে তাকে অভিযোগমুক্ত ঘোষণা করে।








