শেষ মুহূর্তের গোল বাতিল, বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ইরান
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার আশায় শেষ মুহূর্তে ধাক্কা খেল ইরান। মিশরের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করলেও অতিরিক্ত সময়ে করা তাদের সম্ভাব্য জয়সূচক গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল হওয়ায় এখন শেষ ৩২-এ ওঠার জন্য অন্য ম্যাচের ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে দলটিকে।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার আশায় শেষ মুহূর্তে ধাক্কা খেল ইরান। মিশরের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করলেও অতিরিক্ত সময়ে করা তাদের সম্ভাব্য জয়সূচক গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল হওয়ায় এখন শেষ ৩২-এ ওঠার জন্য অন্য ম্যাচের ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে দলটিকে।
অন্যদিকে, আগেই নকআউট নিশ্চিত করা মিশর গ্রুপ ‘জি’-তে তিন ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে। গোল ব্যবধানে তারা বেলজিয়ামের পিছনে রয়েছে। আগামী ৩ জুলাই ডালাসে শেষ ৩২-এর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে মিশর।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় মিশর। পঞ্চম মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর পাস থেকে বল পেয়ে মাহমুদ সাবেরের শট ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দের হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়।
তবে দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে ইরান। মেহদি তারেমি পেনাল্টি আদায় করলেও তার নেওয়া স্পট-কিক দুর্দান্তভাবে বাঁচিয়ে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবেইর। অবশ্য ফিরতি বল পেয়ে রামিন রেজাইয়ান ছোট কোণ থেকে জালে পাঠিয়ে ১৪তম মিনিটেই সমতা ফেরান।
দ্রুতগতির শুরুর পর ম্যাচের গতি অনেকটাই কমে যায়। মাঝমাঠের লড়াইয়ে আটকে থাকে দুই দল এবং পরিষ্কার গোলের সুযোগও খুব একটা তৈরি হয়নি।
তবে শেষ দিকে নাটকীয়তা চরমে ওঠে। অতিরিক্ত সময়ে মেহদি তারেমির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর ৯৩তম মিনিটে শোজা খলিলজাদেহ বল জালে জড়িয়ে উল্লাসে ভাসান ইরান শিবির। খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ মাঠে নেমে উদযাপনও শুরু করেন।
কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR) গোলটি পর্যালোচনা করে খলিলজাদেহ সামান্য অফসাইডে ছিলেন বলে সিদ্ধান্ত দেয়। ফলে গোল বাতিল হয় এবং ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
এই ড্রয়ের ফলে ইরানের সংগ্রহ দাঁড়ায় তিন পয়েন্ট। তারা গ্রুপে তৃতীয় স্থানে থেকে এখন আটটি সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলের একটি হিসেবে নকআউটে জায়গা পাওয়ার আশা নিয়ে অপেক্ষা করবে।
গ্যালারিতে মিশরীয় সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একই সঙ্গে বিপুল সংখ্যক ইরানি সমর্থকও মাঠে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ইরানের বিপ্লব-পূর্ব জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করেন এবং জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় দুয়োধ্বনিও শোনা যায়।
স্থানীয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে শুক্রবারের ম্যাচটি ‘প্রাইড ম্যাচ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। স্টেডিয়ামে কয়েকটি রংধনু পতাকাও দেখা গেলেও মাঠের বাইরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।








