রাফিনিয়াকে নিয়ে ভ্যাম্পেতার বিস্ফোরক দাবি, পরিবার বলছে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’
ভ্যাম্পেতা দাবি করেছেন, রাফিনিয়া শুধুমাত্র চোটের সমস্যায় ভুগছেন না, বরং তিনি নাকি পারিবারিক ও আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়েও যাচ্ছেন। তবে রাফিনিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে এই দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক: বার্সেলোনার তারকা উইঙ্গার রাফিনিয়াকে ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে ব্রাজিলে। প্রাক্তন ব্রাজিলিয়ান বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার ভ্যাম্পেতা দাবি করেছেন, রাফিনিয়া শুধুমাত্র চোটের সমস্যায় ভুগছেন না, বরং তিনি নাকি পারিবারিক ও আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়েও যাচ্ছেন। তবে রাফিনিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে এই দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে।
বর্তমানে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে খেলতে গিয়ে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে পেশিতে চোট পান রাফিনিয়া। সেই চোটের চিকিৎসা ও রিহ্যাব প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই ভ্যাম্পেতার মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
‘রেড কাস্ট’ পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যাম্পেতা বলেন,
“রাফিনিয়া একটি গুরুতর পারিবারিক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। এর পাশাপাশি তার আর্থিক সমস্যাও রয়েছে। সে আশা করছে আল-হিলালে যেতে পারলে পরিস্থিতি বদলাতে পারবে।”
২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য ভ্যাম্পেতা আরও জানান, এই তথ্য তিনি ক্লাব বিশ্বকাপের সময় ‘অভ্যন্তরীণ সূত্র’ থেকে শুনেছেন। তবে তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে বিষয়টি মূলত ‘গসিপ’ বা গুঞ্জনের পর্যায়ে রয়েছে।
তার ভাষায়,
“এটি একটি পারিবারিক বিষয়। বার্সেলোনার পরিস্থিতির কাছাকাছি থাকা কিছু মানুষের কাছ থেকে আমি এই তথ্য পেয়েছি। রাফিনিয়া বিশ্বাস করে, আল-হিলালে যোগ দিতে পারলে সে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে।”
তবে ভ্যাম্পেতার এই মন্তব্যের পরপরই রাফিনিয়ার পরিবার প্রতিক্রিয়া জানায়। ফুটবলারের সম্পর্কীয় ভাই ইগর পাদিলহা সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন,
“বন্ধু, এই মিথ্যাগুলোর ব্যাখ্যা তোমাকে দিতে হবে।”
এর ফলে ভ্যাম্পেতার দাবি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। এখন পর্যন্ত রাফিনিয়া বা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, রাফিনিয়া বর্তমানে ব্রাজিল জাতীয় দলের মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার জন্য একটি “ইনটেনসিভ ট্রিটমেন্ট প্রোটোকল” অনুসরণ করা হচ্ছে। তবে কবে তিনি মাঠে ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
রাফিনিয়ার ভবিষ্যৎ, সম্ভাব্য দলবদল এবং ভ্যাম্পেতার বিতর্কিত মন্তব্য—সব মিলিয়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল অঙ্গনে বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।








