Xtra Time Bangla logo
সর্বশেষ খবর
মোহনবাগানও মাঠে মাস্তানি করতে পারে, বললেন দেবাশিস, হাবাসের ওপর ভরসা আছে দেবব্রতদের◆ডুরান্ডের বদলা, ৪৭ বছর পর কলকাতা ফুটবলের ডাবল, ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার শিল্ড জিতল মোহনবাগান◆কোহলি আউট হলে খেতে চাইতেন না নানা পাটেকর! প্রিয় তারকার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন বিরাট, সচিনদের◆ ‘ইতিহাস চিরকাল বেঁচে থাকবে’, মেসিকে আবেগঘন বার্তা রোনাল্ডোর◆ফাইনালে পিছিয়ে আছেন, মানতে নারাজ মোহনবাগান কোচ পানোস◆‘সবারই সুযোগ আছে’, ভারতের তরুণ ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেন রাশিয়ার ভেরোনিকা◆ডুরান্ড ভুলে শিল্ড ফাইনালে নামতে চান হাবাস◆ হারের দায় নিচ্ছেন, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগোতে চান খালিদ জামিল◆প্রথমার্ধে দুরন্ত লড়াই, তবু হার গতি, শক্তি আর পাওয়ারের কাছে, উরুগুয়ে জিতল  ৬-১ গোলে◆দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচের দায়িত্বে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়◆মোহনবাগানও মাঠে মাস্তানি করতে পারে, বললেন দেবাশিস, হাবাসের ওপর ভরসা আছে দেবব্রতদের◆ডুরান্ডের বদলা, ৪৭ বছর পর কলকাতা ফুটবলের ডাবল, ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার শিল্ড জিতল মোহনবাগান◆কোহলি আউট হলে খেতে চাইতেন না নানা পাটেকর! প্রিয় তারকার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন বিরাট, সচিনদের◆ ‘ইতিহাস চিরকাল বেঁচে থাকবে’, মেসিকে আবেগঘন বার্তা রোনাল্ডোর◆ফাইনালে পিছিয়ে আছেন, মানতে নারাজ মোহনবাগান কোচ পানোস◆‘সবারই সুযোগ আছে’, ভারতের তরুণ ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেন রাশিয়ার ভেরোনিকা◆ডুরান্ড ভুলে শিল্ড ফাইনালে নামতে চান হাবাস◆ হারের দায় নিচ্ছেন, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগোতে চান খালিদ জামিল◆প্রথমার্ধে দুরন্ত লড়াই, তবু হার গতি, শক্তি আর পাওয়ারের কাছে, উরুগুয়ে জিতল  ৬-১ গোলে◆দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচের দায়িত্বে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়◆

ডুরান্ডের বদলা, ৪৭ বছর পর কলকাতা ফুটবলের ডাবল, ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার শিল্ড জিতল মোহনবাগান

সমীর জেলকোভিচের করা গোলে ১-০ ব্যবধানে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার আ্ইএফএ শিল্ড জিতল মোহনবাগান। ১৯৭৯ সালে শেষবার তারা একই সঙ্গে কলকাতা লিগ ও আইএফএ শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান। তারপর এতদিন পর আবার সেই কৃতিত্ব অর্জন করল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।

লিখেছেন Admin•প্রকাশিত Oct 8, 2026, 9:27 PM
ShareWhatsAppFacebookX
ডুরান্ডের বদলা, ৪৭ বছর পর কলকাতা ফুটবলের ডাবল, ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার শিল্ড জিতল মোহনবাগান

ছবি সৌজন্য ফেসবুক

গৌতম রায়

ডুরান্ডে হারের বদলাও হল, দীর্ঘ ৪৭ বছর পর কলকাতা ফুটবলের ডাবলও হল, আইএসএল শুরুর আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ট্রফিও এল। বৃহস্পতিবারের যুবভারতীতে এতগুলো প্রাপ্তি মোহনবাগানের সুপার জায়ান্টের। আর এটা হল সাহাল আর জেলকোভিচের যুগলবন্দিতে। এবং আর একজন – বিশাল কাইথ। সত্যিই বিশাল অবদান।

সমীর জেলকোভিচের করা গোলে ১-০ ব্যবধানে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার আ্ইএফএ শিল্ড জিতল মোহনবাগান। ১৯৭৯ সালে শেষবার তারা একই সঙ্গে কলকাতা লিগ ও আইএফএ শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান। তারপর এতদিন পর আবার সেই কৃতিত্ব অর্জন করল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।

গোলটি এল রশিদের মিসপাসের পর। তিনটি পাস খেলে গোল। সাহাল ঠান্ডা মাথায় চামচে করে যেন বলটা তুলে দিলেন জেলকোভিচকে। বলটি বুক দিয়ে নিখুঁতভাবে নামিয়ে আরও ঠান্ডা মাথায় পুস জেলকোভিচের। চলে আসে জয়সূচক গোল।

খেলাটা শুরু হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের সুযোগ দিয়ে। একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে বিশালকে পেয়ে গিয়েছিলেন এডমুন্ড। কিন্তু কী নিখুঁত সময়ে দুর্দান্তভাবে গোল ছেড়ে বেরিয়ে এলেন বিশাল। এমনভাবে দুটি পোস্টই ব্লক করলেন তাঁর গায়ে মারতে বাধ্য দলেন তরুণ এডমুন্ড।

এরপর আর ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ সেভাবে দানা বাঁধতে পারল না তার একটা বড় কারণ দীপক টাংরি দুই স্টপারের সামনে যে ফুটবলটা খেললেন, তাতে অনেক ফাঁক ফোকড় বুজে গেল। এবং আর একটা ব্যাপার, ইস্টবেঙ্গলের ধাক্কা দেওয়ার মত স্ট্রাইকারের অভাবটাও সে সময় চোখে পড়ছিল। এডমুন্ড খেলছিলেন একটু বাঁদিক থেকে। ফলে মাঝখানে রড্রিগেজদের ধাক্কাটা দেওয়া যাচ্ছিল না।

মোহনবাগান ম্যাচটা ধরে নেওয়ার পর এরউইন দুটো ইনসাইডে দুজনকে টলিয়ে দিয়ে জায়গা করে নিয়েও দুর্বল শট নিয়ে সুযোগটা নষ্ট করলেন। ছাংতে একটা দুর্দান্ত সোলো রানের পর ৬ গজের মধ্যে বলটা যখন বাড়ালেন সন্দীপ মান্ডি জায়গায় থেকে ইন্টারসেপ্ট করলেন।

তবে দিনের সহজ সুযোগটা নষ্ট করলেন মেহতাব সিং। অভি মিতাইয়ের ক্রসটা মেহতাবের মাথা খুঁজে নিয়েছিল। আনমার্কড মেহতাব সহজ হেডটা বাইরে পাঠালেন। এরপর এরউইন মাঝমাঠ থেকে সাহালকে একটা ভাল বল বাড়িয়ে ছিলেন ঠিকই, কিন্ত একটু দেরি করে ফেলায় অফসাইড হয়ে যায়। ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে বলটা তুলে নিয়ে দ্রুত টার্নিংয়ে সাহাল যে শটটা নিয়েছিলেন, তাতে আবার বোঝালেন তাঁর ক্লাসটা। এরপরই ৪৪ মিনিটের মাথায় এল জেলকোভিচের গোল।

ম্যাচ বেরিয়ে যাচ্ছে দেখে হাবাস দুই বিদেশি স্ট্রাইকার পোল্যান্ডের লুকাস ও আইভরি কোস্টের লোবা – দুজনকেই নামিয়ে দিলেন। লুকাসের হেড দুর্দান্তভাবে বাঁচালেন বিশাল কাইথ। এদিন এই ম্যাচেও দুবার দলের পতন আটকে দি্লেন বিশাল। এটা কি দেখলেন খালিদ জামিল?  বিশাল যে আবার বুঝিয়ে দিলেন এই মুহূর্তে দেশের সেরা গোলরক্ষক তিনিই।

দ্বিতীয়ার্ধেও রক্ষণের সেপ দারুনভাবে মেনটেন করে গেল মোহনবাগান এটা ঠিকই, তবে শেষের দিকে দলটাকে অত নামিয়ে নিয়ে কি ভুল করছিল মোহনবাগান?  ওই সময় যে চাপটা তৈরি করেছিল ইস্টবেঙ্গল, তাতে যদি অস্থির হয়ে উদ্দেশ্যহীন ক্রস করে না যেত বা মিডফিল্ড ও অ্যাটাকিং জোনে ট্রানজিশনটা আর একটু গতিময় হত তাহলে বিপদে ফেলতেই পারত মোহনবাগানকে।

শুধু গোল করেছেন বলেই নয়, আইএসএল শুরুর মুখে সমীর জেলকোভিচকে দেখে খুশি হতে পারেন পানোস। আসলে মোহনবাগান মাঝমাঠে এইরকমই একজন ফুটবলারের খুব দরকার ছিল। সত্যিকারের মিডফিল্ড জেনারেলের কাজটা করে গেলেন তিনি।

এরউইনও কিন্তু নজর টানলেন। বিশেষ করে ফার্স্ট টাচটা নজর টানল এবং বড় শরীরটাকে দারুণভাবে কাজে লাগাতে পারেন। তিনি ম্যাকলরেনের মত বক্স স্ট্রাইকার নন, প্রয়োজনে নম্বর টেনের কাজটাও অনেকটাই করতে পারেন। আইএসএল শুরুর মুখে এগুলোও প্রাপ্তি পানোসের।

অন্যদিকে হাবাসের দুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠল। প্রথমত লুকাস ও লোবাকে নামাতে কি একটু দেরি করে ফেললেন? এবং দ্বিতীয়ত আনোয়ারকে না নামিয়ে কি ভুল করলেন?  নাহলে কি এভাবে ডুরান্ডের বদলাটা নিতে পারত না মোহনবাগান? কিংবা কলকাতা ফুটবলের ডাবল করে সবুজ মেরুন উৎসবটা আরও কঠিন হয়ে যেত? হয়ত হাবাসও খুঁজছেন এর উত্তর।

 

🔥 এখন ট্রেন্ডিং

ফুটবলOct 8

মোহনবাগানও মাঠে মাস্তানি করতে পারে, বললেন দেবাশিস, হাবাসের ওপর ভরসা আছে দেবব্রতদের

দেবাশিস বললেন, “আজ আমাদের অর্ধেক ফুটবলার খেলতে পারেনি, তাও ৩ গোলে জেতা ম্যাচ। এক গোলে জিতেছি। কোচ পানোস দেখিয়ে দিলেন। আমরা তিনটি ট্রফিতে খেলে দুটিতে চ্যাম্পিয়ন ও একটিতে রানার্স। তাও ডুরান্ডে আমাদের ইচ্ছাকৃতভাবে হারানো হয়েছে। ওই জার্নিটা করতে বাধ্য না হলে হয়ত হারতে হত না।“

ফুটবলOct 8

ডুরান্ডের বদলা, ৪৭ বছর পর কলকাতা ফুটবলের ডাবল, ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার শিল্ড জিতল মোহনবাগান

সমীর জেলকোভিচের করা গোলে ১-০ ব্যবধানে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ২২ বার আ্ইএফএ শিল্ড জিতল মোহনবাগান। ১৯৭৯ সালে শেষবার তারা একই সঙ্গে কলকাতা লিগ ও আইএফএ শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান। তারপর এতদিন পর আবার সেই কৃতিত্ব অর্জন করল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।

ক্রিকেটOct 8

কোহলি আউট হলে খেতে চাইতেন না নানা পাটেকর! প্রিয় তারকার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন বিরাট, সচিনদের

এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে তাঁর প্রিয় ক্রিকেটারের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। উত্তর দিতে একটুও ভাবেননি তিনি—“বিরাট আমার প্রিয় খেলোয়াড়।” শুধু পছন্দ নয়, কোহলির পারফরম্যান্সের সঙ্গে তাঁর আবেগ যেন সরাসরি জড়িয়ে ছিল। নানা জানিয়েছিলেন, বিরাট দ্রুত আউট হয়ে গেলে তাঁর আর খেতেই ইচ্ছে করত না।  

ফুটবলOct 8

‘ইতিহাস চিরকাল বেঁচে থাকবে’, মেসিকে আবেগঘন বার্তা রোনাল্ডোর

পর্তুগিজ মহাতারকা লেখেন, “লিও, এত বছর ধরে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছ এবং এমন এক ইতিহাস তৈরি করেছ, যা চিরকাল বেঁচে থাকবে। আর্জেন্টিনার হয়ে তুমি যা অর্জন করেছ, তার প্রতি আমার পূর্ণ সম্মান। তোমাকে আলিঙ্গন।”