ইতিহাস গড়ার সুযোগ ইস্টবেঙ্গলের, আল-সিবের বিরুদ্ধে ‘জিততেই হবে’: কোচ হাবাস
মঙ্গলবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর ২০২৬-২৭ মরশুমে ওমানের আল-সিবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। মহাদেশীয় মঞ্চে এখনও প্রথম জয়ের সন্ধানে থাকা লাল-হলুদ শিবিরের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব যে অনেকটাই বেশি, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলের প্রধান প্রশিক্ষক আন্তোনিও লোপেস হাবাস। তাঁর মতে, আল-সিবের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ এবং কলকাতায় হতে চলা ফিরতি ম্যাচ দুটিই ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

এক্সট্রাটাইম ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর ২০২৬-২৭ মরশুমে ওমানের আল-সিবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। মহাদেশীয় মঞ্চে এখনও প্রথম জয়ের সন্ধানে থাকা লাল-হলুদ শিবিরের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব যে অনেকটাই বেশি, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলের প্রধান প্রশিক্ষক আন্তোনিও লোপেস হাবাস। তাঁর মতে, আল-সিবের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ এবং কলকাতায় হতে চলা ফিরতি ম্যাচ দুটিই ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
প্রতিযোগিতায় এখনও জয়হীন ইস্টবেঙ্গল। ফলে আল-সিবের মাঠে তিন পয়েন্ট তুলে নেওয়াই এখন দলের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। হাবাস মনে করছেন, দুই দলই জয় পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে। তবে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েই খেলতে হবে তাঁর দলকে।
হাবাসের কথায়, “এই ম্যাচটি আরও বেশি নির্ণায়ক।” অর্থাৎ, মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ লড়াইয়ে আল-সিবের বিরুদ্ধে ম্যাচটি যে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, তা স্পষ্ট করেছেন স্প্যানিশ প্রশিক্ষক।
আগের ম্যাচগুলিতে ইস্টবেঙ্গলের পারফরম্যান্সে যথেষ্ট ইতিবাচক দিক দেখেছেন হাবাস। তাঁর মতে, মাঠের পারফরম্যান্সের তুলনায় ফলাফল এখনও দলের পক্ষে কথা বলছে না। তবে সুযোগ তৈরি করার ক্ষেত্রে বড় সমস্যা না থাকলেও রক্ষণে অসতর্কতা এবং মনঃসংযোগের অভাব দ্রুত কাটিয়ে উঠতে হবে।
আল-শোর্তার বিরুদ্ধে ২-৩ গোলে হারের ম্যাচটিই যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। প্রথমার্ধে ২-১ গোলে এগিয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে। ৫১ মিনিটে হুসেইন আল সাইদি সমতা ফেরানোর পর ৫৩ মিনিটে কিংসলি কুকু ইরাকের দলকে এগিয়ে দেন। হাবাসের মতে, এই ধরনের ভুলই ঘরোয়া ও মহাদেশীয় ফুটবলের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। কারণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে কয়েক মুহূর্তের অসতর্কতাও ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।
মাঝমাঠের স্প্যানিশ তারকা দানি রামিরেসও একই উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। তবে আক্রমণভাগের সক্ষমতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি। রামিরেসের কথায়, “এই ৯০ মিনিটে আমাদের মনঃসংযোগ ধরে রাখতে হবে।”
ফলে আল-সিবের বিরুদ্ধে মঙ্গলবারের ম্যাচটি শুধু তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, ইস্টবেঙ্গলের আত্মবিশ্বাস ফেরানোরও বড় সুযোগ। জয় এলে গোষ্ঠীপর্ব থেকে পরের ধাপে যাওয়ার আশা যেমন জোরদার হবে, তেমনই কলকাতায় ফিরতি ম্যাচের আগে দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে।








