১৯৬২ এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে সোনা জয়ই আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত: আই. অরুময়নৈগম
বয়সের কারণে তাঁর স্মৃতি আগের মতো তীক্ষ্ণ না থাকলেও, নিজের ফুটবল জীবনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এখনও স্পষ্টভাবে মনে রেখেছেন অরুময়নৈগম। তিনি জানান, ১৯৬২ সালের এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে সোনার পদক জয়ই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত। একইসঙ্গে মোহনবাগানের হয়ে খেলার গৌরবময় দিনগুলির কথাও তিনি স্মৃতিচারণ করেন।

xtratime webdesk Desk: ভারতীয় ফুটবলে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি অর্জুন পুরস্কার (লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট)-এ সম্মানিত হয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবল তারকা আইজায়া অরুময়নৈগম।
এক সাক্ষাৎকারে ৮৪ বছর বয়সি এই প্রবীণ ফুটবলার সম্মানজনক এই পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, “এই পুরস্কার পেয়ে আমি খুব খুশি এবং অত্যন্ত গর্বিত।”
বয়সের কারণে তাঁর স্মৃতি আগের মতো তীক্ষ্ণ না থাকলেও, নিজের ফুটবল জীবনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এখনও স্পষ্টভাবে মনে রেখেছেন অরুময়নৈগম। তিনি জানান, ১৯৬২ সালের এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে সোনার পদক জয়ই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত। একইসঙ্গে মোহনবাগানের হয়ে খেলার গৌরবময় দিনগুলির কথাও তিনি স্মৃতিচারণ করেন।
লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কারটি নিজের স্ত্রী, পরিবার এবং নাতিদের উৎসর্গ করেছেন অরুময়নৈগম।
ভারতীয় ফুটবলের ‘সোনালী সময়ের অন্যতম দ্রুতগতির উইঙ্গার ছিলেন অরুময়নৈগম। ১৯৬২ সালে জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে ভারতের ঐতিহাসিক সোনার পদক জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৬২ সালের আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের পর ভারতের হয়ে তিনি মোট ১৮টি ম্যাচ খেলেন এবং ৩টি গোল করেন। তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে রয়েছে ১৯৬৪ AFC এশিয়ান কাপের রানার্স-আপ হওয়ার কৃতিত্ব এবং ১৯৬৬ মারদেকা কাপে ব্রোঞ্জ পদক।
ঘরোয়া ফুটবলেও তাঁর কৃতিত্ব ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত মোহনবাগানের হয়ে খেলেন তিনি। এই সময়ে ক্লাবের হয়ে ৫৬টি গোল করেন এবং একাধিক ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ভারতীয় ফুটবলে তাঁর দীর্ঘ ও গৌরবময় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৪ সালে তাঁকে ‘মোহনবাগান রত্ন’ সম্মানে ভূষিত করা হয়।
