২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস: স্থায়ী ক্রীড়া উত্তরাধিকার গড়ার প্রতিশ্রুতি ভারতের, বললেন মনসুখ মাণ্ডব্য
কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বৃহস্পতিবার বলেছেন, ২০৩০ সালে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হিসেবে ভারত এমন একটি আসর উপহার দিতে চায়, যা শুধু সফলই হবে না, বরং কমনওয়েলথ ক্রীড়ার জন্য দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকারও রেখে যাবে।

কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বৃহস্পতিবার বলেছেন, ২০৩০ সালে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হিসেবে ভারত এমন একটি আসর উপহার দিতে চায়, যা শুধু সফলই হবে না, বরং কমনওয়েলথ ক্রীড়ার জন্য দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকারও রেখে যাবে।
কমনওয়েলথ স্পোর্টস মিনিস্টার্স মিটিংয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাণ্ডব্য কমনওয়েলথ ক্রীড়ার জন্য আরও শক্তিশালী এবং সদস্যভিত্তিক কাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
ক্রীড়া মন্ত্রকের প্রকাশিত বিবৃতিতে মাণ্ডব্য বলেন, "২০৩০ সালের শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস এবং ১৩তম কমনওয়েলথ স্পোর্টস মিনিস্টার্স মিটিংয়ের আয়োজক হিসেবে আমরা একটি অসাধারণ গেমস আয়োজনের পাশাপাশি কমনওয়েলথ ক্রীড়ার জন্য স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকার রেখে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
তিনি বৈঠকে ক্রীড়া প্রশাসনে সংস্কার, আরও শক্তিশালী ডোপিংবিরোধী কাঠামো এবং তৃণমূল স্তরে প্রতিভা বিকাশে ভারতের 'খেলো ইন্ডিয়া' প্রকল্পের মতো উদ্যোগগুলির কথাও তুলে ধরেন।
মাণ্ডব্য জানান, মন্ত্রী পর্যায়ের সিদ্ধান্তগুলি কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রতিবছর কমনওয়েলথ স্পোর্ট কো-অর্ডিনেশন ফোরাম গঠনের প্রস্তাবকে ভারত দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। তিনি বলেন, "২০৩০ সালের আগে এই ফোরামের বৈঠক, কারিগরি কর্মশালা এবং আঞ্চলিক পরামর্শ বৈঠকের আয়োজন করতে ভারত আনন্দের সঙ্গে এগিয়ে আসবে।"
তিনি আরও বলেন, ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের জন্য ভারত সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং আহমেদাবাদের অবকাঠামো এমন একটি ঐতিহাসিক, টেকসই ও স্মরণীয় আসর উপহার দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সক্ষম।
বৈঠকে মাণ্ডব্য নতুন নেতৃত্ব কাঠামোরও সমর্থন জানান। প্রস্তাব অনুযায়ী, পরবর্তী কমনওয়েলথ স্পোর্টস মিনিস্টার্স মিটিংয়ের আয়োজক দেশ চেয়ার এবং কমনওয়েলথ স্পোর্টের সভাপতি কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, "২০২৬-২০৩০ মেয়াদে CABOS-এর চেয়ারের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারলে ভারত গর্বিত হবে।"
নিজের বক্তব্যের শেষে মাণ্ডব্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলিকে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "আসুন, আমরা এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি যা দীর্ঘস্থায়ী হবে, এমন সহযোগিতা গড়ে তুলি যা বাস্তব ফল দেবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেলাধুলার রূপান্তরমূলক শক্তিকে কাজে লাগাই। নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক ক্রীড়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে, যেখানে মানবাধিকারকে সম্মান জানানো হবে এবং সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।"...
