বদলি নেমেই নায়ক আইভরি কোস্টের মেসি, শেষ মুহূর্তের গোলে জয়
বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ, আর প্রথম ম্যাচেই নায়ক হয়ে উঠলেন আমাদ দিয়ালো।

এক্সট্রা টাইম বাংলা ওয়েব ডেস্ক:
বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ, আর প্রথম ম্যাচেই নায়ক হয়ে উঠলেন আমাদ দিয়ালো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের উইঙ্গার বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ম্যাচের ৯০ মিনিটে গোল করলেন। তাঁর করা একমাত্র গোলেই ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান জয় দিয়ে শুরু করল আইভরি কোস্ট।
ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই একে অপরকে মেপে নেওয়ার খেলা খেলল দুই দল। ইকুয়েডর প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করে, এমনকি দু'বার বল লাগে ক্রসবারে। তবে সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় শেষ মুহূর্তে।
আইভরি কোস্ট যখন পজেশন পাচ্ছিল, মুহূর্তে ৪-২-৪ ফর্মেশনে আক্রমণ সাজাচ্ছিল। মাঝমাঠে ইকুয়েডর সেই গঠন ভাঙতে ম্যান-টু-ম্যান প্রেসিংয়ের চেষ্টা করলেও, তাদের রক্ষণভাগের ট্রানজিশন খুব ভাল ছিল না। ফলে আইভরি কোস্টের ডিফেন্ডার ও মিডফিল্ডাররা সময় পেয়ে বল সামনে খেলতে পারছিল । বিশেষ করে এক বনাম এক পরিস্থিতিতে তৈরি হচ্ছিল পর্যাপ্ত জায়গা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও সেই কৌশলই ফল দেয়। আক্রমণে উঠে আসা আইভরি কোস্টের সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাদ দিয়ালো নিখুঁত ফিনিশে বল জড়িয়ে দেন জালে। সেটিই হয়ে ওঠে ম্যাচের একমাত্র গোল এবং বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম ম্যাচের প্রথম গোল।
আমাদ এই পারফরম্যান্স আগেও করে।ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও আইভরি কোস্টের জয়সূচক গোল এসেছিল আমাদের পা থেকেই। জাতীয় দলের জার্সিতে বড় ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিজেকে প্রমাণ করার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন তিনি।
আমাদকে নিয়ে একটি মজার তথ্যও ফুটবল মহলে বেশ জনপ্রিয়। আটালান্টায় খেলাকালীন তিনি আর্জেন্টাইন তারকা পাপু গোমেজের সতীর্থ ছিলেন। তরুণ আমাদকে দেখে গোমেজ বলেছিলেন, "অনুশীলনে আমাদ দিয়ালোকে থামানো খুব কঠিন। ওকে অনেকটা মেসির মতো লাগে, আইভরি কোস্টের মেসি।"
সেই প্রশংসার যথার্থ প্রমাণ যেন আবারও দিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই উইঙ্গার। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বদলি নেমে ম্যাচ জেতানো গোল করে আইভরি কোস্টকে এনে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট, আর নিজের নাম লিখিয়ে রাখলেন টুর্নামেন্টের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্তের তালিকায়।








