ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতায় চাপ বাড়ছে ইনফান্তিনোর ওপর, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগ আসতে চলেছে ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে
বিশ্বকাপের আসরে ফিফা প্রেসি়ডেন্ট ইনফান্তিনোর ভূমিকায় ক্ষোভ জমছে। প্রতিবাদ হচ্ছে। এবার আইওসিতে অভিযোগ জানাতে চলেছে মানবাধিকার সংগঠন FairSquare। ইনফান্তিনো আইওসি-রও সদস্য। সে কারণেই সেখানে অভিযোগ জমা পড়তে চলেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বারবার সরাসরি সমর্থন জানিয়ে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছেন।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপের আসরে ফিফা প্রেসি়ডেন্ট ইনফান্তিনোর ভূমিকায় ক্ষোভ জমছে। প্রতিবাদ হচ্ছে। এবার আইওসিতে অভিযোগ জানাতে চলেছে মানবাধিকার সংগঠন FairSquare। ইনফান্তিনো আইওসি-রও সদস্য। সে কারণেই সেখানে অভিযোগ জমা পড়তে চলেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বারবার সরাসরি সমর্থন জানিয়ে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফিফা এথিক্স কমিটিতেও অভিযোগ জানিয়েছিল এই মানবাধিকার সংগঠন। ট্রাম্পের বিভন্ন নীতি ও পদক্ষেপকে বারবার সমর্থন জানিয়ে ইনফান্তিনো রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘন করেছেন বলে এথিক্স কমিটিতে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।
এমনকী Fifa Peace Prize ইস্যুতে ফিফা প্রেসিডেন্টের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের দাবি জানানে্া হচ্ছে। এই অ্যাওয়ার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত ফিফা কাউন্সিল নিয়েছিল নাকি এককভাবে ইনফান্তিনো নিয়েছিলেন সে ব্যাপারে তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে। ফিফার নিজস্ব নিয়ম নীতি কি এক্ষেত্রে মেনে চলা হয়েছিল, সে প্রশ্নও তোলা হচ্ছে। বিশ্বকাপের ড্র-য়ের অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে এই পুরষ্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত কি ফিফা কাউন্সিল নিয়েছিল নাকি একা ইনফান্তিনা নিয়েছিলেন, প্রশ্নের আওতায় আসছে এটাও। FairSquare- এর বক্তব্য, কোনও রকম সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই যদি ইনফান্তিনো এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে সেটা ক্ষমতার গুরুতর অপব্যবহার হিসাবেই দেখা উচিত।
আইওসি প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি, তবে অভিযোগ এলে তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে।
এর পাশাপাশি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার বালোগানের লাল কার্ডের শাস্তি স্থগিত রাখা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, শাস্তি স্থগিত রাখার জন্য ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ইনফান্তিনোকে অনুরোধ জানিয়ে ছিলেন। যদিও ফিফা প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে তাঁর কে্ানও ভূমিকা ছিল না।
সব মিলিয়ে এই ইস্যুতে ফিফার রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবং ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়লে যথেষ্ট চাপে পড়বেন ফিফা প্রেসিডেন্ট।
