এবারের মত বিদায় ক্রোয়েশিয়া, শেষ ষোলোয় স্পেনের সামনে পর্তুগাল
এক মহাতারকাকে এদিন বিদায় নিতেই হত। হয় রোনাল্ডো, অথবা লুকা মদ্রিচ। শেষ পর্যন্ত সিআর সেভেনই তাঁর এক সময়ের রিয়াল মাদ্রিদের সতীর্থকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিলেন। নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় চলে গেল পর্তুগাল।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক: এক মহাতারকাকে এদিন বিদায় নিতেই হত। হয় রোনাল্ডো, অথবা লুকা মদ্রিচ। শেষ পর্যন্ত সিআর সেভেনই তাঁর এক সময়ের রিয়াল মাদ্রিদের সতীর্থকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিলেন। নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় চলে গেল পর্তুগাল। ইনজুরি টাইমে রোনাল্ডোর পরিবর্ত র্যামোসের (Ramos) গোলে ছিটকে গেল ক্রোয়েশিয়া।
ফুটবলে চান্স ফ্যাক্টর বলে একটা কথা আছে। ম্যাচ জিততে গেলে ওটার খুব দরকার। চ্যাম্পিয়ন্স লাকটা অবশ্যই একটা ফ্যাক্টর। সেটা আজ হাড়ে হাড়ে টের পেল ক্রোয়েশিয়া। সেটা ছিল না বলেই ২০১৮-র ফাইনালিস্ট ও ২০২২-এর সেমিফাইনালিস্টদের ২০২৬-এর বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেল।
নাহলে যেভাবে পেনাল্টি পেল পর্তুগাল, সেটা হয়ত পেত না। কিংবা বিতর্কিত অফসাইডের জন্য ক্রোয়েশিয়ার গোলটা হয়ত বাতিল হত না। একেবারে শেষ সময়ে যে গোলটা বাতিল হল, সেটা অবশ্যই অফসাইড, কিন্তু তার আগের গোল বাতিলটা অবশ্যই বিতর্কিত। যদিও এমন বিতর্ক নিয়েই চলছে এবারের বিশ্বকাপ। তাছাড়া অতগুলো সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও ম্যাচ জেতা যায় না।
আর একটা ব্যাপারও সত্যি, ফুটবলে সব সময় যাদের যেতা উচিত, তারা জেতে না। এদিন যেমন যা খেলা হয়েছে, জেতা উচিত ছিল ক্রোয়েশিয়ার, কিন্তু জিতল পর্তুগাল।
৫৩ মিনিটে জোসিপ স্টানিশিচের ক্রস থেকে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে এগিয়ে দেন ইভান পেরিশিচ। ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের প্রথম গোল। ম্যাচের একেবারে শেষ সময়ে রাফায়েল লিয়াওয়ের বাড়ানো বল দারুণ হেডে জালে জড়িয়ে পর্তুগালকে জয় এনে দেন গনসালো রামোস। তবে হেরে গেলেও পেরিসিচের লড়াইটা মনে থাকবে দর্শকদের।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দ্বিতীয় গোলটা করে ফেললেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে মারিও পাশালিচ অফসাইড থাকায় গোলটি বাতিল করা হয়। এটা সঠিক সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে গ্যালারিতে বিক্ষোভ ছড়ায়। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় আগামী সোমবার পর্তুগাল মুখোমুখি হবে স্পেনের।








