অজস্র সুযোগ নষ্ট করে কোনও রকমে জয়, ম্যাচ শেষে রেফারিকে সেরা বলে কটাক্ষ মোহনবাগান কোচের
অদ্ভুত একটা মিল দেখা যাচ্ছে দুই প্রধানের খেলায়। অজস্র সুযোগ নষ্ট করে হয় হার, বা ড্র কিংবা কোনও রকমে জয়। তা সে মোহনবাগানই হোক, কিংবা ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার যেমন যে ম্যাচ ৫-৬ গোলে জেতার কথা, সেই ম্যাচও প্রায় ড্র করতে বসেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। শেষ পর্যন্ত শেষ মুহূর্তে এরউইনের গোলে এড়িশার বিরুদ্ধে এলো কোনও রকমে জয়।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
বৃহস্পতিবার যুবভারতীতে কি মোহনবাগান পেনাল্টি পেতে পারত? একটি ফিফটি ফিফটি ব্যাপার। আর একটি পেনাল্টি দিতেই পারতেন রেফারি। তবে ম্যাচের শেষে এ প্রসঙ্গে সবুজ মেরুন কোচ পানোস রীতিমত কটাক্ষ করে বললেন , সেরা রেফারি। কিন্তু কেন এত সুযোগ নষ্ট? মোহন কোচ মেনে নিলেন সমস্যা আছে। এটা নিয়ে তাঁদের কাজ করতে হবে।
অদ্ভুত একটা মিল দেখা যাচ্ছে দুই প্রধানের খেলায়। অজস্র সুযোগ নষ্ট করে হয় হার, বা ড্র কিংবা কোনও রকমে জয়। তা সে মোহনবাগানই হোক, কিংবা ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার যেমন যে ম্যাচ ৫-৬ গোলে জেতার কথা, সেই ম্যাচও প্রায় ড্র করতে বসেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। শেষ পর্যন্ত শেষ মুহূর্তে এরউইনের গোলে এড়িশার বিরুদ্ধে এলো কোনও রকমে জয়।
ম্যাচটা শুরুই হয়েছিল এরউইনের সহজ মিস দিয়ে। প্রথম আক্রমণ থেকেই ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে গোলরক্ষককে একা পেয়েও তাঁর হাতে মারলেন স্কটিশ স্ট্রাইকার। তারপর সুযোগ নষ্টের কাহিনি। লিস্টন, মনবীর, এরউইনরা অন্তত ১০ বার সহজ জায়গা থেকে গোল করতে পারলেননা।
জয় অবশ্য এলো। ড্রাজিচ দুবার এগিয়ে দিয়েছিলেন মোহনবাগানকে। কিন্তু অ্যালবার্তোর ভুলে প্রথমবার গোল শোধ। আর দ্বিতীয়বার মেহতাব অভিষেকের গায়ে বল মারলেন। সেই বল পেযে সমতা ফেরালেন ওড়িশার ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড এভার্টন।
ম্যাচটা প্রাধান্য নিয়ে খেলল, অজস্রবার ওপেন করল কিন্তু গোলের পথটা যেন কেউ চিনতে পারছেন না। হয়ত যে ম্যাচে তিনটি গোল করল সেই ম্যাচ নিয়ে এটা বলা যায় না, কিন্তু যায়, যা খেলা হয়েছে, যেভাবে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাতে কোনও দ্বিধা না করেই বলা যায়।
ম্যাকলরেন অবশেষে নামলেন। মিনিট দশেকের জন্য। তিনি পুরো ফিট হয়ে না ফিরলে সমস্যা আছে মোহনবাগানের, যেমন একই সমস্যায় ভুগছে ইস্টবেঙ্গলও।
আর একটা সমস্যা হচ্ছে। মাঝমাঠে ব্লকিংটা ঠিকমত হচ্ছে না পানোসের টিমের খেলায়। আরও শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে এই ব্যাপারটাও ভোগাতে পারে। আর এদিনের ডিফেন্স। কেন এত অমনোযোগী, বোঝা গেল না। এই রোগ দ্রুত সারাতে না পারলেও ভুগতে হবে।
গোলরক্ষক বিশাল কাইথ এদিনও অনবদ্য। সতীর্থ অ্যালবার্তো জানিয়ে দিলেন বিশালকে আবার জাতীয় দলে দেখতে চান।
পানোস মিগুয়েল ও সাহালের অভাব বোধ করছেন। তিনি জানান, তাঁরা নেই বলেই নম্বর টেনের জায়গায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হচ্ছে। তবু দিনের শেষে যে তিন পয়েন্ট এসেছে, এতেই স্বস্তি সবুজ মেরুন শিবিরে।








