এক ঝলকেই খেল খতম! পরিবর্ত গ্রেগ-কামিংসেই বাজিমাত মোহনবাগানের

এক্সট্রা টাইম ওয়েব ডেস্কঃ বেঙ্গালুরুর সঙ্গে আইএসএল লিগ টেবিলের শীর্ষে যাওয়ার লড়াই ক্রমশই চাপ বাড়িয়ে চলেছে মোহনবাগান ফুটবলারদের উপর তা একপ্রকার স্পষ্ট। ঘরের মাঠে চেন্নাইয়িন এফসির বিরুদ্ধে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত দিশাহীন মোহনবাগান অন্যান্যদিনের তুলনায় অনেকটাই অচেনা। তবে দলের প্রাণভোমরা মাঠে নামতেই বদলে গেল ম্যাচের ভাগ্য। গ্রেগ স্টুয়ার্ট নামলেন, প্রথম শটেই বারপোস্টে মারলেন, পরক্ষণেই ডিফেন্স চেড়া পাসে গোল করালেন কামিংসকে দিয়ে। ১-০ গোলে চেন্নাইয়িন এফসিকে পরাজিত করে আবারও ১ নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান।
জামশেদপুর ম্যাচের দলই নামান মোলিনা। উইনিং কম্বিনেশনেই ভরসা করে দিমি, দীপেন্দু, দীপকদের শুরু থেকে খেলান মোহনবাগান হেড কোচ। তবে জামশেদপুর ম্যাচে যে ফুটবলের নিদর্শন দিমি-মনবীররা দেখাতে পেরেছিলেন চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে তার ১০ শতাংশও খেলতে পারেননি তাঁরা।
চেন্নাইয়িন দল প্রথম থেকেই প্রেসিং ফুটবল খেলে যার ফলে মিডফিল্ডের অনেকটাই দখল চেন্নাই দলের কাছে থাকে। এর পাশাপাশি মোহনবাগান রক্ষণভাগেও ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে চেন্নাইয়িনের ফুটবলাররা। ফলে বারংবার মিস পাস করতে দেখা যায় দীপেন্দু-টাংরিদের। প্রথমার্ধেই দলের দুই সাইড ব্যাক শুভাশিস এবং দীপেন্দু হলুদ কার্ড দেখেন। যদিও দুই-তিনবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যায় মোহনবাগান। দিমিত্রি জেমিরা বক্সে সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেননি। অন্যদিকে লিস্টনের দুরন্ত দুরপাল্লার শট চেন্নাইয়িন গোলকিপার মহম্মদ নাওয়াজ অসামান্য দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দীপেন্দুর পরিবর্তে আশিস রায় নামতে বাগান রক্ষণ কিছুটা মজবুত হয়। অন্যদিকে দীপক টাংরির পরিবর্তে নামেন সাহাল। এরপরেই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ে সবুজ মেরুন ব্রিগেডের। এরপর জেমির পরিবর্তে কামিংসকেও নামান মোলিনা। গ্রেগকেও নামান ম্যাচের শেষের দিকে। আর এই দুই পরিবর্তনেই বাজিমাত মোলিনার।
৮৫ মিনিটে পরিবর্ত ফুটবলার হিসাবে নামেন গ্রেগ স্টুয়ার্ট। নেমেই চোখ ধাঁধানো শট মারেন যা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল আবার যখন মনবীর এবং চেন্নাইয়ের ডিফেন্ডার হয়ে গ্রেগের কাছে পৌছাল ঠিকানা লেখা পাস বাড়ালেন কামিংসের জন্য। এবং সুযোগের সৎ ব্যবহার করে কামিংস জয় এনেদিলেন সবুজ মেরুন ব্রিগেডকে।
আরও দুটি গোল হতে পারতো কিন্তু মনবীরের হেড ক্রসপোস্টে লাগে। কামিংসের শটও পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ১-০ ফলাফলে শেষ হয় ম্যাচ।